ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষক-পরিচালক মিলে ছাত্রদের দিনের পর দিন ধর্ষণ: ‘হাদিয়া’ দিয়ে খবর ধামাচাপার চেষ্টা
সাড়ে চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১১৮ শিশু
সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে গণতন্ত্র উদ্ধারে দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের প্রধান রুট হয়ে উঠেছে: দ্য অস্ট্রেলিয়ান টুডে
বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫% ছাড়
৫ ট্রেনের বিলম্ব, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়
ঈদের লম্বা ছুটিতে মহাখালী বাসটার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ঢল
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হাসপাতালের ৫ তলা থেকে ফেলে তরুণীকে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এক তরুণীকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালের পাঁচতলা থেকে ধাক্কা দিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে অবশেষে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
আজ ২৫শে মে, সোমবার ফেনীর সোনাগাজী থানার বাদামতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
নিহত তরুণীর নাম রিয়া আক্তার রিতা, বয়স ২০ বছর। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন এবং সিডিএ মার্কেটের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান অভিযুক্তের নাম আব্দুর রহমান শেখ, বয়স ২১ বছর। তিনি বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ থানার ভাটখালী এলাকার শেখ বাড়ির মৃত সোহরাব শেখের ছেলে।
চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার আব্দুল হামিদ সড়ক সংলগ্ন ফয়েজ লেক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।
পুলিশ ও
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একই পোশাক কারখানায় চাকরির সুবাদে আব্দুর রহমান শেখের সঙ্গে রিতার পরিচয়। কয়েক মাস আগে একটি মারামারির ঘটনায় ওই যুবকের চাকরি চলে যায়। চাকরি যাওয়ার পরেও সে রিতাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত ও বিরক্ত করতে থাকে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে। গত ২২শে মে, শুক্রবার রাতে কারখানা ছুটির পর আব্দুর রহমান কৌশলে রিতাকে ফয়েজ লেক এলাকায় নিয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে তাকে ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ভবনের উত্তর পাশের পাঁচতলার একটি গ্রিলবিহীন সিঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রিতাকে নিচে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পাঁচতলা থেকে
পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের মা মোছা. জমিলা বেগম বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় আবদুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফেনীর সোনাগাজী এলাকার বাদামতলী থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুর রহমান শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।” ওসি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার মূল রহস্য
উদ্ঘাটনে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একই পোশাক কারখানায় চাকরির সুবাদে আব্দুর রহমান শেখের সঙ্গে রিতার পরিচয়। কয়েক মাস আগে একটি মারামারির ঘটনায় ওই যুবকের চাকরি চলে যায়। চাকরি যাওয়ার পরেও সে রিতাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত ও বিরক্ত করতে থাকে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে। গত ২২শে মে, শুক্রবার রাতে কারখানা ছুটির পর আব্দুর রহমান কৌশলে রিতাকে ফয়েজ লেক এলাকায় নিয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে তাকে ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ভবনের উত্তর পাশের পাঁচতলার একটি গ্রিলবিহীন সিঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রিতাকে নিচে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পাঁচতলা থেকে
পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের মা মোছা. জমিলা বেগম বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় আবদুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফেনীর সোনাগাজী এলাকার বাদামতলী থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুর রহমান শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।” ওসি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার মূল রহস্য
উদ্ঘাটনে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।



