ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের গুরুতর অভিযোগ
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক মাদক সেবন করানো এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের গুরুতর অভিযোগ এনেছেন মাইশা ইসলাম নামের এক তরুণী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং বিচার দাবি করে এই অভিযোগগুলো তুলে ধরেন।
ভিডিও বার্তায় নিজেকে বিজ্ঞান আন্দোলনের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া মাইশা ইসলাম জানান, গত বছরের ২৭ নভেম্বর ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সাথে তার প্রথম পরিচয় হয়। দুজনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার খিলা ইউনিয়নে হওয়ায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়। তরুণীর দাবি, আইটি সেক্টরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ফয়েজ আহমেদ তার সাথে সখ্যতা গড়ে
তোলেন। অভিযোগকারী তরুণী স্বীকার করেন যে, শুরুতে ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সাথে তার সম্মতিতেই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। তারা মাওয়া ঘাট ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে সময় কাটিয়েছেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, গত জুলাই মাস থেকে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকে। মাইশা ইসলামের দাবি, ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব তাকে তার বন্ধুদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন এবং জোরপূর্বক ইয়াবা ও আইস নামক মাদক সেবন করান। ভিডিওতে তিনি আরও জানান, গত নভেম্বর মাস থেকে তিনি ফয়েজ আহমেদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে শুরু হয় ব্ল্যাকমেইলিং। তার গোপন ভিডিও পর্ণ সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দিয়ে আবারও অনৈতিক কাজে বাধ্য করা
হচ্ছে। এমনকি তাকে জোরপূর্বক বিদেশিদের কাছে পাঠানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাইশা বলেন, "আমি আর নিতে পারছি না। আমার সুইসাইড করা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। তবে আমি সুইসাইড করবো না, আমি বেঁচে থেকে ওর শাস্তি চাই।" তিনি ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের স্ত্রী নাইমা ফেরদৌসের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এই ভিডিও বার্তাটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনো ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। (বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি ভিডিওতে থাকা ভুক্তভোগীর বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি। অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।)
তোলেন। অভিযোগকারী তরুণী স্বীকার করেন যে, শুরুতে ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সাথে তার সম্মতিতেই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। তারা মাওয়া ঘাট ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে সময় কাটিয়েছেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, গত জুলাই মাস থেকে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকে। মাইশা ইসলামের দাবি, ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব তাকে তার বন্ধুদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন এবং জোরপূর্বক ইয়াবা ও আইস নামক মাদক সেবন করান। ভিডিওতে তিনি আরও জানান, গত নভেম্বর মাস থেকে তিনি ফয়েজ আহমেদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে শুরু হয় ব্ল্যাকমেইলিং। তার গোপন ভিডিও পর্ণ সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দিয়ে আবারও অনৈতিক কাজে বাধ্য করা
হচ্ছে। এমনকি তাকে জোরপূর্বক বিদেশিদের কাছে পাঠানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাইশা বলেন, "আমি আর নিতে পারছি না। আমার সুইসাইড করা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। তবে আমি সুইসাইড করবো না, আমি বেঁচে থেকে ওর শাস্তি চাই।" তিনি ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের স্ত্রী নাইমা ফেরদৌসের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এই ভিডিও বার্তাটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনো ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। (বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি ভিডিওতে থাকা ভুক্তভোগীর বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি। অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।)



