প্রগতিশীলতার মুখোশ খুলে উগ্রবাদের পক্ষে: ঢাবি শিক্ষক মোনামীর ভয়ংকর ভোলবদল ও হিযবুত-জামায়াত কানেকশন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

আরও খবর

মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন

সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও

“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা

মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র

এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী

বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি

প্রগতিশীলতার মুখোশ খুলে উগ্রবাদের পক্ষে: ঢাবি শিক্ষক মোনামীর ভয়ংকর ভোলবদল ও হিযবুত-জামায়াত কানেকশন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রোক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। ৫ আগস্টের আগে যিনি ছিলেন আওয়ামীপন্থী নীল দলের কট্টর সমর্থক ও সুবিধাভোগী, পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই ভোল পাল্টে তিনি এখন জামায়াত-শিবিরের অঘোষিত ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’। প্রগতিশীলতার লেবাসে দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এখন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর এবং জামায়াতে ইসলামীর আন্তর্জাতিক লবিস্ট হিসেবে কাজ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মোনামী নীল দলের ব্যানারে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। এমনকি গত মে মাসেও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে চীন সফরে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হন তিনি। অথচ সরকার পতনের পরপরই তিনি

‘মুহি শিবির হলে শিবির ভালো’ স্লোগান দিয়ে উগ্রবাদের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনো আদর্শিক পরিবর্তন নয়, বরং চরম সুবিধাবাদ এবং ক্ষমতার বৃত্তে টিকে থাকার ঘৃণ্য কৌশল। মোনামীর উত্থানের পেছনে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর-এর সংশ্লিষ্টতার ছায়া স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তথ্যে প্রকাশ, মোনামীর মেন্টর এবং ঢাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. সৈয়দা লাসনা কবীর এবং তাঁর স্বামী ড. শেখ তৌফিক হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। ড. তৌফিক নিষিদ্ধ সংগঠনটির রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। অভিযোগ, এই ‘তৌফিক-লাসনা’ নেক্সাসেরই নতুন এবং আধুনিক ‘প্রজেক্ট’ হলেন মোনামী। প্রগতিশীল পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি কীভাবে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হাতের পুতুলে পরিণত হলেন, তা

নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, মোনামী এখন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি হিসেবে যাতায়াত শুরু করেছেন। টার্কিশ ফান্ডের নামে লাখ লাখ টাকা উপঢৌকন হিসেবে গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ডাচ রাষ্ট্রদূতের বাসায় জামায়াতের প্রতিনিধি সেজে তাঁর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, তিনি আন্তর্জাতিক মহলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে ‘গণতান্ত্রিক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার মিশনে নেমেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। মোনামীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও রয়েছে স্বচ্ছতার অভাব। পিতা আমিনুল ইসলাম মিলন ছিলেন আওয়ামী লীগ আমলের প্রভাবশালী আমলা এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, পিতার প্রভাব এবং ড. মোহাব্বত খান ও ড. লাসনা কবীরের লবিংয়ের

জোরেই তিনি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। মেধার চেয়ে ‘কানেকশন’ এবং ‘পারিবারিক পরিচয়’ তাঁর নিয়োগে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। জুলাই বিপ্লবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নাটক সাজিয়ে মোনামী মূলত নিজের ইমেজ ক্লিন করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশের সঙ্গে মূল প্রতিরোধ গড়েছিলেন অধ্যাপক ড. নুসরাত জাহান চৌধুরী, কিন্তু মিডিয়ার সামনে হিরো সাজার কসরত করেছেন মোনামী। মুক্তিযোদ্ধা পিতার সন্তান ও সাবেক সেনাপ্রধানের পুত্রবধূ হয়েও মোনামী যেভাবে উগ্রবাদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন, তা নজিরবিহীন। প্রশ্ন উঠছে—মোনামী কি তবে হিযবুত তাহরীর ও জামায়াতের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সুশীল সমাজে ঘাপটি মেরে থাকা কোনো ‘স্লিপার সেল’? তাঁর এই রহস্যজনক তৎপরতা এবং ভোলবদল জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য

অশনিসংকেত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নরওয়ে ম্যাচের আগে ব্রাজিলের বড় ধাক্কা: ইনজুরিতে পাকেতা গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন জুনে সারাদেশে ৩৩৩ নারী-কন্যাশিশু নির্যাতিত: শীর্ষে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও বিধবা নারীর টাকা নিয়ে উধাও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়ক বাঁধন “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা দরিদ্র ছাত্রের বরাদ্দ সাইকেল নাতনিকে, ধরা পড়ে ফেরত জামায়াত নেতার: ছাগল-ফুটবল-সেলাই মেশিনও লোপাট মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি সাংবাদিক এনায়েত শাওনকে হুমকি, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা হাজারীবাগে বাথরুমের সিলিংয়ে থানা লুটের শটগান: ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ পোশাক খাতে বেড়েই চলেছে সংকট: আরও এক কারখানা বন্ধ, ঈদের পরে লাখো শ্রমিক ছাঁটাই চবিতে মধ্যরাতে ছাত্রদল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রদের মারামারিতে প্রক্টর লাঞ্ছিত, সাংবাদিক হেনস্তা চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠে গুলি করে যুবককে হত্যা, ধোঁয়াশায় পুলিশ “জুলাই আন্দোলন আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত!”—সমন্বয়কের তীব্র অনুশোচনা ১ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম জুনে ৮ মাসের সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স, অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১৭.৩ শতাংশ