প্রগতিশীলতার মুখোশ খুলে উগ্রবাদের পক্ষে: ঢাবি শিক্ষক মোনামীর ভয়ংকর ভোলবদল ও হিযবুত-জামায়াত কানেকশন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২৫
     ১২:৫৩ অপরাহ্ণ

আরও খবর

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়

৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী

৮দিন আগেই সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আকস্মিক বন্ধ ঘোষনা; জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়?

মানবাধিকার, মতপ্রকাশের ন্যুনতম স্বাধীনতাও আজ লঙ্ঘিত

কুবি শিক্ষকককে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে বিকাশ-এটিএমের টাকা উত্তোলন

রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ‘ছাত্র’কে দেখানো হয়েছে ‘ছাত্রী’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম: ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৯০ কোটি টাকা ও ১৭৬ একর জমি ফেরতের সুপারিশ

প্রগতিশীলতার মুখোশ খুলে উগ্রবাদের পক্ষে: ঢাবি শিক্ষক মোনামীর ভয়ংকর ভোলবদল ও হিযবুত-জামায়াত কানেকশন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২৫ | ১২:৫৩ 74 ভিউ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রোক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। ৫ আগস্টের আগে যিনি ছিলেন আওয়ামীপন্থী নীল দলের কট্টর সমর্থক ও সুবিধাভোগী, পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই ভোল পাল্টে তিনি এখন জামায়াত-শিবিরের অঘোষিত ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’। প্রগতিশীলতার লেবাসে দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এখন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর এবং জামায়াতে ইসলামীর আন্তর্জাতিক লবিস্ট হিসেবে কাজ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মোনামী নীল দলের ব্যানারে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। এমনকি গত মে মাসেও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে চীন সফরে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হন তিনি। অথচ সরকার পতনের পরপরই তিনি

‘মুহি শিবির হলে শিবির ভালো’ স্লোগান দিয়ে উগ্রবাদের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনো আদর্শিক পরিবর্তন নয়, বরং চরম সুবিধাবাদ এবং ক্ষমতার বৃত্তে টিকে থাকার ঘৃণ্য কৌশল। মোনামীর উত্থানের পেছনে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর-এর সংশ্লিষ্টতার ছায়া স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তথ্যে প্রকাশ, মোনামীর মেন্টর এবং ঢাবি লোকপ্রশাসন বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. সৈয়দা লাসনা কবীর এবং তাঁর স্বামী ড. শেখ তৌফিক হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। ড. তৌফিক নিষিদ্ধ সংগঠনটির রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। অভিযোগ, এই ‘তৌফিক-লাসনা’ নেক্সাসেরই নতুন এবং আধুনিক ‘প্রজেক্ট’ হলেন মোনামী। প্রগতিশীল পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি কীভাবে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হাতের পুতুলে পরিণত হলেন, তা

নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, মোনামী এখন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি হিসেবে যাতায়াত শুরু করেছেন। টার্কিশ ফান্ডের নামে লাখ লাখ টাকা উপঢৌকন হিসেবে গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ডাচ রাষ্ট্রদূতের বাসায় জামায়াতের প্রতিনিধি সেজে তাঁর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, তিনি আন্তর্জাতিক মহলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে ‘গণতান্ত্রিক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার মিশনে নেমেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। মোনামীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও রয়েছে স্বচ্ছতার অভাব। পিতা আমিনুল ইসলাম মিলন ছিলেন আওয়ামী লীগ আমলের প্রভাবশালী আমলা এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, পিতার প্রভাব এবং ড. মোহাব্বত খান ও ড. লাসনা কবীরের লবিংয়ের

জোরেই তিনি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। মেধার চেয়ে ‘কানেকশন’ এবং ‘পারিবারিক পরিচয়’ তাঁর নিয়োগে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। জুলাই বিপ্লবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নাটক সাজিয়ে মোনামী মূলত নিজের ইমেজ ক্লিন করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশের সঙ্গে মূল প্রতিরোধ গড়েছিলেন অধ্যাপক ড. নুসরাত জাহান চৌধুরী, কিন্তু মিডিয়ার সামনে হিরো সাজার কসরত করেছেন মোনামী। মুক্তিযোদ্ধা পিতার সন্তান ও সাবেক সেনাপ্রধানের পুত্রবধূ হয়েও মোনামী যেভাবে উগ্রবাদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন, তা নজিরবিহীন। প্রশ্ন উঠছে—মোনামী কি তবে হিযবুত তাহরীর ও জামায়াতের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সুশীল সমাজে ঘাপটি মেরে থাকা কোনো ‘স্লিপার সেল’? তাঁর এই রহস্যজনক তৎপরতা এবং ভোলবদল জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য

অশনিসংকেত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই চলেছে রেকর্ডভাঙা ধস শেয়ারবাজারে: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা, কারসাজি নিয়ে সন্দেহ ৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’ ঢাকায় ভোজ্যতেলের সরবরাহে টান, বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত তেলের দাম ৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সরকারের ইফতারের পর প্রাণবন্ত থাকতে পান করুন তরমুজের শরবত রাত ১২টার পর সেহরি খেলে কি রোজা হবে? ‘নির্ভয়া’ শুধু একটি ঘটনা ছিল না, এমন প্রতিদিনই ঘটছে: রানী মুখার্জি পরাজয়ে শেষ এশিয়ান কাপ মিশন ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির আভাস জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন তেহরানে তেল ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প কুইন্সে সড়কে জলাবদ্ধতা, গাড়ি চলাচলে বাধা