ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার শেষে বাসায় তানিয়া বৃষ্টি
নায়িকা থেকে প্রবাসী, কেন বলিউড ছাড়েন রাগেশ্বরী
আবারও শাকিবের বিপরীতে সাবিলা নূর
‘আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির শিকার’
মান্নার নিজস্ব একটা ভাষা ছিল: সোহেল রানা
ফের অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া চক্রবর্তী
‘দ্বিনের পথে’ চলতে শোবিজ ছাড়লেন অভিনেত্রী নওবা
প্রকাশ্যে এলেন আলভী, দায়ী করলেন ইকরার পরিবারকেই
অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় করা মামলায় অভিযুক্ত অভিনেতা যাহের আলভী। তবে ভারচুয়ালি, ফেসবুক লাইভে এলেন তিনি। স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর সব দায় দেশের মানুষ ও ইকরার পরিবারের ওপর চাপালেন। এছাড়া দেশে না ফেরার কারণও জানালেন তিনি। দেশে ফিরলে মব সৃষ্টি করে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি পাচ্ছেন জানালেন। পাশাপাশি সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কার কথা বললেন এই অভিনেতা।
আজ মঙ্গলবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক আইডিতে ২৮ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের একটি রেকর্ডেড ভিডিও প্রকাশ করেন আলভী। সেখানে দর্শক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রশ্নের উত্তর দিতেই এ ভিডিও রেকর্ড করেছেন বলে জানান। এসময় এ অভিনেতা ১ মার্চ কাঠমান্ডু টু ঢাকার
একটি টিকিটের ছবিও দেখান। তিনি জানান, দেশে আসার সব প্রস্তুতি নিয়েও, পরে আর রওনা দেননি। এর কারণ হিসেবে তিনি সকল দায় দেশের মানুষ ও ইকরার পরিবারের ওপর চাপালেন। অভিনেতা ভিডিওতে বলেন, ‘আমি সবকিছু ঠিক করে দেশে যেতে পারলাম না শুধুমাত্র আপনাদের জন্য। আপনারা আমাকে দেশে যেতে দেননি। ইকরার মুখটি শেষবারের মতো দেখতে দেননি। ইকরার পরিবার আমাকে আমার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে প্রচুর হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমি দেশে গেলেই মব সৃষ্টি করে আমাকে মেরে ফেলা হবে। এ অবস্থায় আমি কি করে যাই? আমার রিজিকের (ছেলে) মা আর বেঁচে নেই, এখন যদিও আমিও মারা যাই তাহলে আমার রিজিকের কী হবে!
আপনারা কি চান যে আমিও মরে যাই? যদি পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায় কোনো সমস্যা নেই, আইনিভাবে আমি এটা মোকাবিলা করব। কিন্তু কোনো মব সৃষ্টি করে যদি আমাকে মেরে ফেলা হয় তাহলে আমার রিজিকের কী হবে। আমার কাছে এখন আমার ছেলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভিনেতা নিজেকেও শেষ করে দিতে পারতেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেকে শেষ করে ফেলতাম। কিন্তু রিজিকের মুখের দিকে তাকিয়ে এখনও বেঁচে আছি। রিজিকের জীবন এখন আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ অভিনেতা বলেন, ‘আপনার অনেকেই বলছেন, যে মানুষটা আমাকে ভালোবেসে মরে গেল, আমি তাকে দেখতে এলাম না। দেখেন, ১৬ বছর তার সঙ্গে আমি সংসার করেছি। একটা
শত্রুর সঙ্গেও এত বছর একসঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকলে মৃত্যুর পর তার মুখ দেখার জন্য ছটফট করতে হয়। সেখানে ইকরা তো আমার বউ ছিল। আমি তার মৃত্যুর পর ট্রমার মধ্যে আছি। আমাকে আপনারা দেশে আসার সুযোগ দেন নাই। ইকরার পরিবার আমাকে আমার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয় নাই। এ দায় তার পরিবারকেই নিতে হবে।’ ২৮ মিনিটের সেই ভিডিওতে অভিনেতা আরও অনেক কথা বলেন, সেখানে সকল দায় ইকরার পরিবার ও তার দর্শকের ওপরই চাপানো হয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও সমালোচনাই তাকে দেশে আসতে বাধা প্রদান করছে বলেও এসময় জানান এ অভিনেতা। কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন বা আদৌ ফিরবেন কি না সে
বিষয়ে কোনো কিছুই বলেননি আলভী। তবে তিনি সবার কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘দয়া করে রিজিকের জন্য হলেও আমাকে আপনারা দেশে আসতে দিন।’ অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা মারা গেছেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী আলভীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার বিকেলে রাজধানীর পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলায় আলভীর প্রেমিকা ইফফাত আরা তিথি ও মা শিউলিসহ পরিবারের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা
হয়েছে।’ জানা গেছে, ইকরার মৃত্যুর আগেই নেপালে যান আলভী। সেখান থেকেই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে পরদিন (রোববার) তার দেশে আসার কথা থাকলেও, তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বলা যায়, অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। দেশে আসছেন কি না বা এসে থাকলেও কোথায় তিনি সে খবর মিলছিল না। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন এ অভিনেতা। স্ত্রীর মুখটি শেষবারের মতোও দেখতে এলেন না এ অভিনেতা। এরইমধ্যে গতকাল (রোববার) ইকরার দাফন সম্পন্ন হয়।
একটি টিকিটের ছবিও দেখান। তিনি জানান, দেশে আসার সব প্রস্তুতি নিয়েও, পরে আর রওনা দেননি। এর কারণ হিসেবে তিনি সকল দায় দেশের মানুষ ও ইকরার পরিবারের ওপর চাপালেন। অভিনেতা ভিডিওতে বলেন, ‘আমি সবকিছু ঠিক করে দেশে যেতে পারলাম না শুধুমাত্র আপনাদের জন্য। আপনারা আমাকে দেশে যেতে দেননি। ইকরার মুখটি শেষবারের মতো দেখতে দেননি। ইকরার পরিবার আমাকে আমার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে প্রচুর হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমি দেশে গেলেই মব সৃষ্টি করে আমাকে মেরে ফেলা হবে। এ অবস্থায় আমি কি করে যাই? আমার রিজিকের (ছেলে) মা আর বেঁচে নেই, এখন যদিও আমিও মারা যাই তাহলে আমার রিজিকের কী হবে!
আপনারা কি চান যে আমিও মরে যাই? যদি পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায় কোনো সমস্যা নেই, আইনিভাবে আমি এটা মোকাবিলা করব। কিন্তু কোনো মব সৃষ্টি করে যদি আমাকে মেরে ফেলা হয় তাহলে আমার রিজিকের কী হবে। আমার কাছে এখন আমার ছেলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভিনেতা নিজেকেও শেষ করে দিতে পারতেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেকে শেষ করে ফেলতাম। কিন্তু রিজিকের মুখের দিকে তাকিয়ে এখনও বেঁচে আছি। রিজিকের জীবন এখন আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ অভিনেতা বলেন, ‘আপনার অনেকেই বলছেন, যে মানুষটা আমাকে ভালোবেসে মরে গেল, আমি তাকে দেখতে এলাম না। দেখেন, ১৬ বছর তার সঙ্গে আমি সংসার করেছি। একটা
শত্রুর সঙ্গেও এত বছর একসঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকলে মৃত্যুর পর তার মুখ দেখার জন্য ছটফট করতে হয়। সেখানে ইকরা তো আমার বউ ছিল। আমি তার মৃত্যুর পর ট্রমার মধ্যে আছি। আমাকে আপনারা দেশে আসার সুযোগ দেন নাই। ইকরার পরিবার আমাকে আমার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয় নাই। এ দায় তার পরিবারকেই নিতে হবে।’ ২৮ মিনিটের সেই ভিডিওতে অভিনেতা আরও অনেক কথা বলেন, সেখানে সকল দায় ইকরার পরিবার ও তার দর্শকের ওপরই চাপানো হয়েছে। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও সমালোচনাই তাকে দেশে আসতে বাধা প্রদান করছে বলেও এসময় জানান এ অভিনেতা। কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন বা আদৌ ফিরবেন কি না সে
বিষয়ে কোনো কিছুই বলেননি আলভী। তবে তিনি সবার কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘দয়া করে রিজিকের জন্য হলেও আমাকে আপনারা দেশে আসতে দিন।’ অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা মারা গেছেন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী আলভীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার বিকেলে রাজধানীর পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলায় আলভীর প্রেমিকা ইফফাত আরা তিথি ও মা শিউলিসহ পরিবারের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা
হয়েছে।’ জানা গেছে, ইকরার মৃত্যুর আগেই নেপালে যান আলভী। সেখান থেকেই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে পরদিন (রোববার) তার দেশে আসার কথা থাকলেও, তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বলা যায়, অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। দেশে আসছেন কি না বা এসে থাকলেও কোথায় তিনি সে খবর মিলছিল না। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন এ অভিনেতা। স্ত্রীর মুখটি শেষবারের মতোও দেখতে এলেন না এ অভিনেতা। এরইমধ্যে গতকাল (রোববার) ইকরার দাফন সম্পন্ন হয়।



