ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির
পুলিশ বক্সে আশ্রয় নিয়েও বাঁচতে পারলেন না যুবদল কর্মী
ময়মনসিংহ নগরীতে ছুরিকাঘাতে রেদুয়ান জাহান রিয়াদ (২৮) নামে এক যুবদল কর্মী খুন হয়েছেন।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে নগরীর পাটগুদাম বীজ মোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত রেদুয়ান জাহান রিয়াদ নগরীর কালিবাড়ি এলাকার মো. সাইদুল হক খানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাটগুদাম অস্থায়ী পুলিশ বক্সের সামনে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ওই যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে দৌড়ে বক্সের ভেতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়। আহত অবস্থায় অনেকক্ষণ বক্সের ভিতরে পড়েছিল। পরে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাড়ে ৫টার দিকে মারা যান তিনি। হাঁটুর ওপরে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্ষণে মারা যান তিনি।
নিহতের
বাবা সাইদুল হক বলেন, ‘আমার ছেলেকে কেউ বাঁচাতে আসেনি। পরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। তবে, কি কারণে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারিনি। আমার ছেলে যুবদল নেতা ইনছানের সঙ্গে রাজনীতি করত।’ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ছেলের খুনিদের বিচার করার দাবি জানান তিনি। মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইনছান বলেন, ‘নিহত রেদুয়ান জাহান রিয়াদ যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। সে যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী। এই হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’ এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ব্রিজ এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী একটি চক্রের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
বাবা সাইদুল হক বলেন, ‘আমার ছেলেকে কেউ বাঁচাতে আসেনি। পরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। তবে, কি কারণে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারিনি। আমার ছেলে যুবদল নেতা ইনছানের সঙ্গে রাজনীতি করত।’ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ছেলের খুনিদের বিচার করার দাবি জানান তিনি। মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইনছান বলেন, ‘নিহত রেদুয়ান জাহান রিয়াদ যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। সে যুবদলের একজন সক্রিয় কর্মী। এই হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’ এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ব্রিজ এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী একটি চক্রের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।



