ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল
স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: মুক্তিকামী জনতার একচ্ছত্র কমান্ড ও স্বাধীনতার পদধ্বনি
‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি
টাঙ্গাইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক আব্দুল খালেক মন্ডলকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চরম হুমকি দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। সম্প্রতি তাদের দুজনের উত্তপ্ত এই ফোনালাপের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপে শোনা যায়, বিএনপি নেতা আহমেদ আযম খান চরম উত্তেজিত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক মন্ডলকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, "পিঠের চামড়া থাকবে না, খামোশ! আমি দেখে নেবো মনে রাখবেন।" তিনি আব্দুল খালেক মন্ডলকে টাঙ্গাইলের বাসাইল ও সখিপুর এলাকায় যাওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, "আপনি আসেন না বাসাইল, আসেন না সখিপুর। ...কাঁচা খাইয়ে দেবো আপনাকে।"
উত্তপ্ত এই ফোনালাপের সময় আহমেদ
আযম খান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে টাকার লোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, "টাকার লোভে পাইছে আপনাকে? পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এক নম্বর দুর্নীতিবাজ হইছেন। মুক্তিযোদ্ধা সভাপতি হয়ে... খাইয়ে দেবো আপনাকে একবারে। নিয়া আইসেন, ওই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট পকেটে নিয়া আইসেন।" এ সময় তাকে একাধিকবার আপত্তিকর গালিগালাজ (যা অডিওতে সেন্সর করা হয়েছে) করতে শোনা যায়। অন্যদিকে, ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক মন্ডল পুরো সময়জুড়ে তুলনামূলক শান্ত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তিনি দুর্নীতির অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, "অসম্ভব, টাকার লোভে আমাকে পায় নাই।" প্রতিপক্ষের এমন আক্রমণাত্মক আচরণের জবাবে তিনি বারবার "আচ্ছা ঠিক আছে" বলে প্রসঙ্গ এড়ানোর চেষ্টা
করেন এবং একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকে অনুরোধ করে বলেন, "একটু কথাবার্তা শালীনভাবে বলেন।" অডিও রেকর্ড ও কথোপকথন অনুযায়ী, টাঙ্গাইলের বাসাইল ও সখিপুর এলাকার স্থানীয় রাজনীতি বা কোনো নির্দিষ্ট ইস্যুকে কেন্দ্র করেই ফোনে এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকের মুখে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে উদ্দেশ্য করে ফোনে এমন আক্রমণাত্মক ও অশোভন ভাষা ব্যবহারের ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আযম খান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে টাকার লোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, "টাকার লোভে পাইছে আপনাকে? পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এক নম্বর দুর্নীতিবাজ হইছেন। মুক্তিযোদ্ধা সভাপতি হয়ে... খাইয়ে দেবো আপনাকে একবারে। নিয়া আইসেন, ওই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট পকেটে নিয়া আইসেন।" এ সময় তাকে একাধিকবার আপত্তিকর গালিগালাজ (যা অডিওতে সেন্সর করা হয়েছে) করতে শোনা যায়। অন্যদিকে, ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক মন্ডল পুরো সময়জুড়ে তুলনামূলক শান্ত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তিনি দুর্নীতির অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, "অসম্ভব, টাকার লোভে আমাকে পায় নাই।" প্রতিপক্ষের এমন আক্রমণাত্মক আচরণের জবাবে তিনি বারবার "আচ্ছা ঠিক আছে" বলে প্রসঙ্গ এড়ানোর চেষ্টা
করেন এবং একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকে অনুরোধ করে বলেন, "একটু কথাবার্তা শালীনভাবে বলেন।" অডিও রেকর্ড ও কথোপকথন অনুযায়ী, টাঙ্গাইলের বাসাইল ও সখিপুর এলাকার স্থানীয় রাজনীতি বা কোনো নির্দিষ্ট ইস্যুকে কেন্দ্র করেই ফোনে এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকের মুখে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে উদ্দেশ্য করে ফোনে এমন আক্রমণাত্মক ও অশোভন ভাষা ব্যবহারের ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।



