ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
৪০ বছর পর সংসদের শীর্ষ পদে নারীশূন্যতা: এরশাদের পথে হাঁটলেন তারেক
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া পাকি মন্ত্রীদের ২ মাস বেতন বন্ধ, অফিস চলবে ৪ দিন
রাশিয়ান তেল কিনতে অর্থমন্ত্রীর মার্কিন অনুমতি প্রার্থনাঃ রাশিয়ান তেল শোধনে অসম্ভবতা সত্ত্বেও কেন এই পদক্ষেপ?
মোজাম্মেল ‘প্রোস্টেট ক্যান্সার’, শ্যামল ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’, চলাফেরায় ‘অক্ষম’ বয়োবৃদ্ধ শাহরিয়ার: সাংবাদিকরা তাও মুক্তি পাবেন না?
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
পিআইবি সেমিনার দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ফারুক ওয়াসিফের মিথ্যাচারঃ উঠে এলো আরও দুর্নীতিকান্ড!
পিআইবির বিতর্কিত মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ– এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরো নতুন অভিযোগ উঠেছে। গত ৫ মার্চ কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি পিআইবিতে সেমিনারের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছিল।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফারুক ওয়াসিফ ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, ওই দুই দিনে কোনো সেমিনার হয়নি, ফলে সেমিনারের নামে অর্থ তছরুপের প্রশ্নই ওঠে না। বরং তাঁর বিরুদ্ধে একটি পক্ষ জাল নথি তৈরি করে সংবাদমাধ্যমে সরবরাহ করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।
তবে নতুন অনুসন্ধানে ভিন্ন তথ্য পেয়েছে কালের কণ্ঠ।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে জমা দেওয়া উৎস করের নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারিতে পিআইবিতে অনুষ্ঠিত দুটি সেমিনারের বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের বিপরীতে কর জমা দেওয়া হয়েছে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে খাবার, দাওয়াত কার্ড, স্টেশনারি, সাউন্ড সিস্টেম, ডেকোরেশন, গাড়িভাড়া ও আলোচকদের সম্মানী বাবদ কর প্রদানের তথ্য। মোট ৫৩টি চালানের মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা উৎস কর জমা দেওয়া হয়েছে। চালানগুলো অনলাইনে যাচাই করেও সেগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। এসব চালানে জমাদানকারী হিসেবে পিআইবির সিনিয়র রিসার্চ অফিসার গোলাম মুর্শেদের নাম ও স্বাক্ষর রয়েছে। অন্যদিকে অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ উঠেছে, ‘গুপী বাঘা প্রোডাকশনস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে
প্রায় ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এই লেনদেনের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে ভ্যাট-ট্যাক্স জমার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রকৃত খরচ সাত থেকে আট লাখ টাকার বেশি হয়নি। এছাড়া সরকারি কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় টেন্ডার, ওয়ার্ক-অর্ডার ও ব্যাংকিং চ্যানেলের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক নথি ব্যাকডেট করে তৈরি করা হয়েছে বলেও অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ আবারও অস্বীকার করেছেন ফারুক ওয়াসিফ। তাঁর দাবি, বোর্ড সভা ও অডিট টিম কাগজপত্র পর্যালোচনা করেছে এবং সেখানে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য তিনি টেলিফোনে দিতে চান না। তবে তার দুর্নীতির বিষয়টি এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি।
বিশেষ করে জুলাই চেতনায় উদবুদ্ধ ফারুক ওয়াসিফ দুর্নীতির পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা, মব উস্কানী এবং সাংবাদিকদের হুমকি ধমকি দিয়ে থামিয়ে রাখতে ইউনূস আমলে বেশ সক্রিয় ছিলেন। এসব নিয়ে নানা নয়া বয়ানও হাজির করতেন। এখন বিএনপি সরকারের করুনা পেতে নানাভাবে তদবির করছেন।ক্ষুদ্র ঋণ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে জমা দেওয়া উৎস করের নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারিতে পিআইবিতে অনুষ্ঠিত দুটি সেমিনারের বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের বিপরীতে কর জমা দেওয়া হয়েছে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে খাবার, দাওয়াত কার্ড, স্টেশনারি, সাউন্ড সিস্টেম, ডেকোরেশন, গাড়িভাড়া ও আলোচকদের সম্মানী বাবদ কর প্রদানের তথ্য। মোট ৫৩টি চালানের মাধ্যমে প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা উৎস কর জমা দেওয়া হয়েছে। চালানগুলো অনলাইনে যাচাই করেও সেগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। এসব চালানে জমাদানকারী হিসেবে পিআইবির সিনিয়র রিসার্চ অফিসার গোলাম মুর্শেদের নাম ও স্বাক্ষর রয়েছে। অন্যদিকে অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ উঠেছে, ‘গুপী বাঘা প্রোডাকশনস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে
প্রায় ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ের দেখানো হয়েছে। কিন্তু এই লেনদেনের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে ভ্যাট-ট্যাক্স জমার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রকৃত খরচ সাত থেকে আট লাখ টাকার বেশি হয়নি। এছাড়া সরকারি কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় টেন্ডার, ওয়ার্ক-অর্ডার ও ব্যাংকিং চ্যানেলের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক নথি ব্যাকডেট করে তৈরি করা হয়েছে বলেও অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ আবারও অস্বীকার করেছেন ফারুক ওয়াসিফ। তাঁর দাবি, বোর্ড সভা ও অডিট টিম কাগজপত্র পর্যালোচনা করেছে এবং সেখানে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য তিনি টেলিফোনে দিতে চান না। তবে তার দুর্নীতির বিষয়টি এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি।
বিশেষ করে জুলাই চেতনায় উদবুদ্ধ ফারুক ওয়াসিফ দুর্নীতির পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা, মব উস্কানী এবং সাংবাদিকদের হুমকি ধমকি দিয়ে থামিয়ে রাখতে ইউনূস আমলে বেশ সক্রিয় ছিলেন। এসব নিয়ে নানা নয়া বয়ানও হাজির করতেন। এখন বিএনপি সরকারের করুনা পেতে নানাভাবে তদবির করছেন।ক্ষুদ্র ঋণ



