ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার
ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে
শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা
পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সখ্য: জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতি চরম ঝুঁকির মুখে
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক গভীর করার উদ্যোগ দেশকে বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, ইসলামাবাদের সঙ্গে এই ‘অস্বাভাবিক’ ঘনিষ্ঠতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পাশাপাশি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার ঢাকা সফর এবং এরপর একাধিক জ্যেষ্ঠ পাকিস্তানি কর্মকর্তার আনাগোনাকে সাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হিসেবে দেখছেন না নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। বিশেষত, যখন ভারতের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত সীমান্ত ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সফরগুলো স্থগিত করা হয়েছে, তখন পাকিস্তানের সঙ্গে এই অতি-উৎসাহকে ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত বলে মনে করা
হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে পরীক্ষিত বন্ধু ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে পাকিস্তানের প্রভাব বলয়ে প্রবেশ করলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক শক্তি প্রতিযোগিতায় ‘গুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক ও গোয়েন্দা ঘনিষ্ঠতা বাড়লে বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট (AQIS), লস্কর-ই-তাইবা (LeT) এবং তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP)-এর মতো নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো সীমান্তে এবং তরুণদের মগজ ধোলাইয়ে সক্রিয় রয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে বাংলাদেশে তাদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার সুযোগ করে দিতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য অশনিসংকেত। এই সম্পর্কের নেপথ্যে চীনের কলকাঠি নাড়ার বিষয়টিও স্পষ্ট। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—উভয়েরই সামরিক
সরঞ্জামের প্রধান উৎস চীন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন-পাকিস্তান অক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করবে। এর ফলে বাংলাদেশ নিজের অজান্তেই ভারতবিরোধী জোটে জড়িয়ে পড়ছে, যা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে তা সরাসরি আঘাত হানবে দেশের নড়বড়ে অর্থনীতির ওপর। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগে আগ্রহী হন না। পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরে যদি দেশে জঙ্গিবাদ বা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি আয় এবং রিজার্ভে বড় ধরনের ধস নামতে পারে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ভূ-রাজনীতির এই বিপজ্জনক খেলায় জড়ালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক
ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়তে পারে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভারসাম্যহীন এই পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশকে একটি দীর্ঘস্থায়ী সংকটের ফাঁদে ফেলছে। জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে পাকিস্তানের সঙ্গে এই ঝুঁকিপূর্ণ মিতালি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করতে পারে এবং দেশকে একঘরে করে ফেলার পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে পরীক্ষিত বন্ধু ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে পাকিস্তানের প্রভাব বলয়ে প্রবেশ করলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক শক্তি প্রতিযোগিতায় ‘গুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক ও গোয়েন্দা ঘনিষ্ঠতা বাড়লে বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট (AQIS), লস্কর-ই-তাইবা (LeT) এবং তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP)-এর মতো নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো সীমান্তে এবং তরুণদের মগজ ধোলাইয়ে সক্রিয় রয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে বাংলাদেশে তাদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার সুযোগ করে দিতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য অশনিসংকেত। এই সম্পর্কের নেপথ্যে চীনের কলকাঠি নাড়ার বিষয়টিও স্পষ্ট। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—উভয়েরই সামরিক
সরঞ্জামের প্রধান উৎস চীন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন-পাকিস্তান অক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করবে। এর ফলে বাংলাদেশ নিজের অজান্তেই ভারতবিরোধী জোটে জড়িয়ে পড়ছে, যা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে তা সরাসরি আঘাত হানবে দেশের নড়বড়ে অর্থনীতির ওপর। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগে আগ্রহী হন না। পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরে যদি দেশে জঙ্গিবাদ বা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি আয় এবং রিজার্ভে বড় ধরনের ধস নামতে পারে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ভূ-রাজনীতির এই বিপজ্জনক খেলায় জড়ালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক
ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়তে পারে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভারসাম্যহীন এই পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশকে একটি দীর্ঘস্থায়ী সংকটের ফাঁদে ফেলছে। জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে পাকিস্তানের সঙ্গে এই ঝুঁকিপূর্ণ মিতালি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করতে পারে এবং দেশকে একঘরে করে ফেলার পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।



