ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার
ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে
শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা
নোয়াখালীতে ইলিয়াসের কুশপুত্তলিকা দাহ
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় দিবস নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর বারোটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রায় ৩০ মিনিটব্যাপী ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে ইলিয়াছের কুশপুত্তলিকায় জুতাপেটা করে তাতে আগুন দেওয়া হয়।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে একত্রিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়, শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আসে। সেখানে মানববন্ধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা। এসময় তারা প্রবাসী সাংবাদিক
ইলিয়াছ হোসেনের ছবি সম্বলিত ব্যানার ও পোষ্টার নিয়ে ইলিয়াছ ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন-জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এ বি এম ফজলুল হক বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফারুক, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবু জাফর মোহাম্মদ আলী জনিসহ অনেকে। বিক্ষোভ সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে ইলিয়াছকে দেশে এনে তার বিচার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
ইলিয়াছ হোসেনের ছবি সম্বলিত ব্যানার ও পোষ্টার নিয়ে ইলিয়াছ ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন-জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এ বি এম ফজলুল হক বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফারুক, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবু জাফর মোহাম্মদ আলী জনিসহ অনেকে। বিক্ষোভ সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে ইলিয়াছকে দেশে এনে তার বিচার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।



