ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ
যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান
ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন
খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, ৩ ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
নেতানিয়াহুকে ইরানে হামলা করতে না করেছি : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানে সামরিক হামলা না চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন। চলমান পরমাণু আলোচনা চলাকালে এমন পদক্ষেপ ‘অযৌক্তিক’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত সপ্তাহে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প হামলা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন কি না— এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে চাই, হ্যাঁ, বলেছি।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে ট্রাম্প আরও বলেন, আমি শুধু বলেছি, আমার মনে হয় না এখন সময়টা উপযুক্ত। আমরা ইরানের সঙ্গে খুব ভালোভাবে আলোচনা করছি।
তিনি বলেন, আমি তাকে (নেতানিয়াহু) জানিয়েছি, এখন এটা করা একেবারেই ঠিক হবে না, কারণ আমরা একটি সমাধানের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। আমার
ধারণা, ইরান একটি চুক্তি করতে চায়। আর সেটা সম্ভব হলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে সরে যায়। তার পর এই প্রথম ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে পাঁচ দফা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে, বুধবার ইরান জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (আইএইএ)-এর মার্কিন পরিদর্শকদের নিজস্ব পরমাণু স্থাপনাগুলোতে প্রবেশের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে। তবে ইসরায়েল, যারা ইরানকে দীর্ঘদিনের হুমকি মনে করে আসছে, একাধিকবার সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, চলমান আলোচনার মধ্যেও ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্প
অবশ্য সামরিক হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তবে তিনি বলেছেন, আমি একটি চুক্তির জন্য আগে সুযোগ দিতে চাই। আর যদি কোনো হামলা হয়ও, তবে তার নেতৃত্বে থাকবে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র নয়। উল্লেখ্য, ইরান বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, দেশটির পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
ধারণা, ইরান একটি চুক্তি করতে চায়। আর সেটা সম্ভব হলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে সরে যায়। তার পর এই প্রথম ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে পাঁচ দফা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে, বুধবার ইরান জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (আইএইএ)-এর মার্কিন পরিদর্শকদের নিজস্ব পরমাণু স্থাপনাগুলোতে প্রবেশের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে। তবে ইসরায়েল, যারা ইরানকে দীর্ঘদিনের হুমকি মনে করে আসছে, একাধিকবার সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, চলমান আলোচনার মধ্যেও ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্প
অবশ্য সামরিক হামলার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তবে তিনি বলেছেন, আমি একটি চুক্তির জন্য আগে সুযোগ দিতে চাই। আর যদি কোনো হামলা হয়ও, তবে তার নেতৃত্বে থাকবে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র নয়। উল্লেখ্য, ইরান বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, দেশটির পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত।



