ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-ইআবা নেতা চরমোনাই পীর ফয়জুল করিম একই আসনের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসতে অস্বীকৃতি—এটি কি নিছক ব্যক্তিগত অস্বস্তি, নাকি স্পষ্ট নারী বিদ্বেষ?
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি’র জনপ্রিয় টক শো ‘জনতার দরবার’-এ ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনায় এই প্রশ্নই সামনে আনছেন ডা. মনীষা নিজেই।
গত ২৮শে জানুয়ারি, বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান চলাকালীন তাকে পরিকল্পিতভাবে মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তখন যুক্তি দেখায়, প্রতি পর্বে একজন অতিথি পর্যায়ক্রমে বাইরে যাবেন। তবে ডা. মনীষার দাবি, বাস্তবে অন্য কোনো অতিথির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি।
ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, বরিশাল-৫ আসনের আরেক প্রার্থী চরমোনাই
পীর ফয়জুল করিম নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসতে অনিচ্ছুক হওয়ায় তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার ভাষায়, “এটি কেবল আমার প্রতি অসম্মান নয়, এটি নারীদের প্রতি এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অবজ্ঞা।” তিনি মনে করেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়া একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাদার আচরণের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যদি আগে থেকেই জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন কেউ থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে চান না, তাহলে তিনি সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না বলেও জানান তিনি। ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে ডা. মনীষা আরও প্রশ্ন তোলেন— “যিনি দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসতেই পারেন না, তিনি কীভাবে সব মানুষের প্রতিনিধি হওয়ার দাবি করেন?” ঘটনাটি
ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকেই এটিকে নারী বিদ্বেষের প্রকাশ বলে আখ্যা দিচ্ছেন এবং টেলিভিশন চ্যানেলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। এদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বাসদের পক্ষ থেকেও বৃহস্পতিবার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টিকে গণমাধ্যমে নারীর অংশগ্রহণ ও সম্মানের প্রশ্নে একটি বিপজ্জনক নজির বলে উল্লেখ করেছে। ঘটনাটি শুধু একটি টক শোর সীমায় আবদ্ধ থাকেনি; বরং রাজনীতি, প্রতিনিধিত্ব এবং নারীর মর্যাদা—এই তিনটি মৌলিক প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে।
পীর ফয়জুল করিম নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসতে অনিচ্ছুক হওয়ায় তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার ভাষায়, “এটি কেবল আমার প্রতি অসম্মান নয়, এটি নারীদের প্রতি এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অবজ্ঞা।” তিনি মনে করেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়া একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাদার আচরণের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যদি আগে থেকেই জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন কেউ থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে চান না, তাহলে তিনি সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না বলেও জানান তিনি। ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে ডা. মনীষা আরও প্রশ্ন তোলেন— “যিনি দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসতেই পারেন না, তিনি কীভাবে সব মানুষের প্রতিনিধি হওয়ার দাবি করেন?” ঘটনাটি
ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকেই এটিকে নারী বিদ্বেষের প্রকাশ বলে আখ্যা দিচ্ছেন এবং টেলিভিশন চ্যানেলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। এদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বাসদের পক্ষ থেকেও বৃহস্পতিবার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টিকে গণমাধ্যমে নারীর অংশগ্রহণ ও সম্মানের প্রশ্নে একটি বিপজ্জনক নজির বলে উল্লেখ করেছে। ঘটনাটি শুধু একটি টক শোর সীমায় আবদ্ধ থাকেনি; বরং রাজনীতি, প্রতিনিধিত্ব এবং নারীর মর্যাদা—এই তিনটি মৌলিক প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে।



