ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি
“আমি শেখ মুজিবের মেয়ে, দেশের স্বার্থ কখনো বেচি নাই। ক্ষমতার লোভ আমি করি না।” — শেখ হাসিনা
সড়কে চাঁদাবাজির ‘বৈধতা’ দিলেন হত্যা মামলার আসামি মন্ত্রী রবিউল
সাবেক সরকারের দুই প্রেস সচিবের নতুন চাকরি: এমজিএইচ গ্রুপের কর্ণধারের দুর্নীতি মামলা প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন
সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: দরপত্র ছাড়াই ১১১ কোটির কাজ, ফারুকীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ
ঢাকা-ওয়াশিংটন গোপন চুক্তির ফাঁস
নতুন সরকার গঠন ‘প্রহসন ও সমঝোতার’ ফল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি সাদ্দামের
বাংলাদেশে নতুন সরকার ‘প্রহসন, বিতর্ক ও সমঝোতার’ মধ্য দিয়ে গঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দী নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সাদ্দাম হোসেন এসব কথা বলেন। ওই বার্তায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার আকার, নিয়োগপ্রক্রিয়া ও নীতিগত নানা বিষয়ে কড়া সমালোচনা করেন।
ভিডিও বার্তায় সাদ্দাম হোসেন বলেন, নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ড. খলিলুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ অতীতে তাঁর নিয়োগকে কেন্দ্র করেই বিএনপি বিদেশি নাগরিকত্ব ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তুলে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল। এখন তাঁকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ায় প্রমাণিত
হয়, তাদের কাছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নাসিমুল গনির নিয়োগের সমালোচনা করে ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, যাঁর বিরুদ্ধে বিগত বিএনপি সরকারের সময় জঙ্গি ও মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল, তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশ যে ‘মব রিপাবলিক’ বা গণ–সহিংসতার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তার সাচিবিক দায়িত্ব পালনকারীকেই নতুন সরকার পুরস্কৃত করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কৃচ্ছ্র সাধনের নামে ‘ঢাউস’ মন্ত্রিসভা সরকার মুখে কৃচ্ছ্র সাধনের কথা বললেও ৫০ সদস্যের ‘ঢাউস’ (বিশাল) মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বলে সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, দক্ষতা ও যোগ্যতার বাছবিচার না করে আপনজন ও পরিচিতদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে। এটি যেন কোনো লিমিটেড কোম্পানির বিলিবণ্টন। বিদ্যুৎ ও
জ্বালানি খাতের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপিই দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট থেকে কমিয়ে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নামিয়ে এনেছিল। এখন দুর্নীতি ও অদক্ষতায় অভিযুক্তদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ায় সুশাসন বাধাগ্রস্ত হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন বাঙালিকে প্রতিমন্ত্রী করারও সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে পার্বত্য শান্তিচুক্তি লঙ্ঘন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পরিপন্থী। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বর্তমান সরকারের গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতিশ্রুতির কড়া সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক ধ্যানধারণায় বিশ্বাস করে, তবে অবিলম্বে আওয়ামী
লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) বাতিল করতে হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দী নেতাদের জামিন ও মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই-আগস্ট ও এর পরবর্তী সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের ট্রায়াল বন্ধ না করলে প্রমাণিত হবে—তারা আইনের শাসনের প্রতি দায়বদ্ধ নয়, তারা আসলে শাসনের জন্যই আইন চায়।’ বক্তব্যের শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, যে প্রক্রিয়ায়ই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের জনগণকে এসব প্রশ্নের উত্তর তাদের দিতেই হবে।
হয়, তাদের কাছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নাসিমুল গনির নিয়োগের সমালোচনা করে ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, যাঁর বিরুদ্ধে বিগত বিএনপি সরকারের সময় জঙ্গি ও মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল, তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশ যে ‘মব রিপাবলিক’ বা গণ–সহিংসতার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তার সাচিবিক দায়িত্ব পালনকারীকেই নতুন সরকার পুরস্কৃত করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কৃচ্ছ্র সাধনের নামে ‘ঢাউস’ মন্ত্রিসভা সরকার মুখে কৃচ্ছ্র সাধনের কথা বললেও ৫০ সদস্যের ‘ঢাউস’ (বিশাল) মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বলে সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, দক্ষতা ও যোগ্যতার বাছবিচার না করে আপনজন ও পরিচিতদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে। এটি যেন কোনো লিমিটেড কোম্পানির বিলিবণ্টন। বিদ্যুৎ ও
জ্বালানি খাতের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপিই দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট থেকে কমিয়ে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটে নামিয়ে এনেছিল। এখন দুর্নীতি ও অদক্ষতায় অভিযুক্তদের পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ায় সুশাসন বাধাগ্রস্ত হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন বাঙালিকে প্রতিমন্ত্রী করারও সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে পার্বত্য শান্তিচুক্তি লঙ্ঘন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পরিপন্থী। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বর্তমান সরকারের গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতিশ্রুতির কড়া সমালোচনা করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক ধ্যানধারণায় বিশ্বাস করে, তবে অবিলম্বে আওয়ামী
লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) বাতিল করতে হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দী নেতাদের জামিন ও মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। জুলাই-আগস্ট ও এর পরবর্তী সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের ট্রায়াল বন্ধ না করলে প্রমাণিত হবে—তারা আইনের শাসনের প্রতি দায়বদ্ধ নয়, তারা আসলে শাসনের জন্যই আইন চায়।’ বক্তব্যের শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, যে প্রক্রিয়ায়ই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের জনগণকে এসব প্রশ্নের উত্তর তাদের দিতেই হবে।



