ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
ধানমন্ডি ৩২-এর বাড়ি ভাঙচুরকারী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ২ নেতাকে গণপিটুনি
ফরিদপুরে হেযবুত তওহীদের সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাসভবন ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞে এই দুই নেতা সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আজ রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর জোড়া ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গণপিটুনির শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই দুই নেতা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা এবং যুগ্ম সদস্যসচিব আরিয়ান ইসলাম কাইয়ুম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকেলে হেযবুত তওহীদ ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের ইমাম মোহাম্মদ হোসাইন সেলিমের বক্তব্য মাইকে প্রচার করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি শব্দদূষণ
বা প্রচারণার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বাধাদানকারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সোহেল ও আরিয়ানকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেন। এরপর হেযবুত তওহীদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের তর্কাতর্কি হয় এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবন ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত এই দুই নেতাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে জনমনে ক্ষোভ ছিল, যা আজকের এই ঘটনায় প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংঘর্ষের বিষয়ে হেযবুত তওহীদ ফরিদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, “আমরা পুলিশের অনুমতি নিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে
আমাদের ইমামের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কিন্তু আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।” অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলার মুখপাত্র কাজী জেবা তাহসিন অভিযোগ করেন, “হেযবুত তওহীদ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তাদের সদস্যরাই আমাদের দুই ছাত্রনেতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে।” ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম মারধরের ঘটনায় দুজন আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তারা ফিরলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।”
বা প্রচারণার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বাধাদানকারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সোহেল ও আরিয়ানকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেন। এরপর হেযবুত তওহীদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের তর্কাতর্কি হয় এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবন ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত এই দুই নেতাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে জনমনে ক্ষোভ ছিল, যা আজকের এই ঘটনায় প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংঘর্ষের বিষয়ে হেযবুত তওহীদ ফরিদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, “আমরা পুলিশের অনুমতি নিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে
আমাদের ইমামের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কিন্তু আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।” অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলার মুখপাত্র কাজী জেবা তাহসিন অভিযোগ করেন, “হেযবুত তওহীদ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তাদের সদস্যরাই আমাদের দুই ছাত্রনেতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে।” ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম মারধরের ঘটনায় দুজন আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তারা ফিরলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।”



