ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
২০২৬-২৭ বাজেট: বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয়
বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর
ধসের মুখে ভারতের চিংড়ি রপ্তানি শিল্প
মার্কিন শুল্কের প্রভাবে বড় ধরনের ধসের মুখে পড়েছে ভারতের চিংড়ি রপ্তানি শিল্প। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় ভারতীয় চিংড়ির দাম বেশি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশটির চিংড়ি চাষীরা। এমনটা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারানোর শঙ্কা তাদের। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ চিংড়ি উৎপাদনকারী দেশ ভারত। গত অর্থবছরের শেষে মার্চে বিশ্বব্যাপী ৫০০ কোটি ডলারের হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করেছিল ভারত। যার ৪৮ শতাংশই ছিল যুক্তরাষ্ট্রে।
চিংড়ি চাষ হয়ে থাকে পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, গোয়া, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং কেরেলায়। এই খাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ কাজ করেন।
গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম ভারতীয় চিংড়ির ওপর শুল্ক ঘোষণা করেন। ওই
সময় দেশটিতে চিংড়ির দাম প্রতি কেজি ৩০০ রুপি থেকে কমে ২৩০ রুপিতে চলে আসে। যদিও এক কেজি চিংড়ি উৎপাদনে খরচ হয় ২৭৫ রুপি। চিংড়ির দাম কমায় অনেক চাষী পোনা কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক হ্যাচারি। এসব হ্যাচারি বছরে ৮ হাজার কোটি পোনা উৎপন্ন করে। কিন্তু চাহিদা না থাকায় গত তিন-চার মাসে ৮০০ কোটি পোনা ফেলে দিতে হয়েছে। চিংড়ির একেকটি পোনা মাত্র তিন থেকে চারদিন বাঁচে। সবশেষ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, ভারত ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন টন চিংড়ি রপ্তানি করেছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল সাদা পায়ের চিংড়ি। এটি বছরে দুইবার উৎপাদন করা যায়। যার প্রথমটি ফেব্রুয়ারি থেকে জুন।
দ্বিতীয়টি জুলাই থেকে অক্টোবর। কিন্তু রোগবালাইয়ের ভয়ে চাষীরা সাধারণত দ্বিতীয় চক্রে চাষ করেন না। তবে চলমান ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্বিতীয়বার চাষের ঝুঁকি নিচ্ছেন অনেকে। ভারতীয় চিংড়ির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক রয়েছে ৫৮ শতাংশ। চাহিদা মেটাতে বর্তমানে ইকুয়েডর থেকে চিংড়ি কিনছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতীয় চাষীদের শঙ্কা এমনটা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারাবে ভারত। দ্রুত সংকট থেকে উত্তরণের আশা তাদের।
সময় দেশটিতে চিংড়ির দাম প্রতি কেজি ৩০০ রুপি থেকে কমে ২৩০ রুপিতে চলে আসে। যদিও এক কেজি চিংড়ি উৎপাদনে খরচ হয় ২৭৫ রুপি। চিংড়ির দাম কমায় অনেক চাষী পোনা কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক হ্যাচারি। এসব হ্যাচারি বছরে ৮ হাজার কোটি পোনা উৎপন্ন করে। কিন্তু চাহিদা না থাকায় গত তিন-চার মাসে ৮০০ কোটি পোনা ফেলে দিতে হয়েছে। চিংড়ির একেকটি পোনা মাত্র তিন থেকে চারদিন বাঁচে। সবশেষ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, ভারত ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন টন চিংড়ি রপ্তানি করেছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল সাদা পায়ের চিংড়ি। এটি বছরে দুইবার উৎপাদন করা যায়। যার প্রথমটি ফেব্রুয়ারি থেকে জুন।
দ্বিতীয়টি জুলাই থেকে অক্টোবর। কিন্তু রোগবালাইয়ের ভয়ে চাষীরা সাধারণত দ্বিতীয় চক্রে চাষ করেন না। তবে চলমান ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্বিতীয়বার চাষের ঝুঁকি নিচ্ছেন অনেকে। ভারতীয় চিংড়ির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক রয়েছে ৫৮ শতাংশ। চাহিদা মেটাতে বর্তমানে ইকুয়েডর থেকে চিংড়ি কিনছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতীয় চাষীদের শঙ্কা এমনটা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারাবে ভারত। দ্রুত সংকট থেকে উত্তরণের আশা তাদের।



