ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিনাজপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ গ্রেফতার ৫
সাইনবোর্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: চালকের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীতে তীব্র গ্যাসের সংকট কেন, জানাল তিতাস
সনাতনী ধর্মালম্বীদেরকে হত্যার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
কেরানীগঞ্জ কারাগারে ‘মানবেতর’ জীবন: ১৮০০ বন্দিকে ২৪ ঘণ্টা লকআপ ও খাবার বঞ্চনার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার
‘বাংলাদেশে কেন জন্ম নিলাম? এটা অভিশাপ’—গ্যাসের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে এক অসহায় বাবর্চির আর্তনাদ
‘বঙ্গবন্ধু কেবল দলের নন, তিনি আমাদের ঘরের মানুষ, তাকে কেন খলনায়ক বানানো হচ্ছে?’—তরুণের প্রশ্ন
দেশ গভীর সংকটে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া মুক্তি নেই’: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিবৃতি
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। এক বিবৃতিতে দলটির নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে দেশকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের অন্য কোনো পথ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক দীর্ঘ বিবৃতিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ দেশের আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ ও দলীয় অবস্থান তুলে ধরে।
অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখলের অভিযোগ
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা আন্দোলনের নামে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে
হটিয়ে অসাংবিধানিক শক্তি ক্ষমতা দখল করেছে। সংবিধান লঙ্ঘন করে সংসদ ভেঙে দেওয়া, বিচারপতিদের অপসারণ এবং উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার অভিযোগ তোলা হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্থাপনায় আঘাত আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলোর ওপর নজিরবিহীন হামলা চালানো হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি, মুজিবনগর স্মৃতিস্মারক, জাতীয় চার নেতার ম্যুরালসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘একাত্তরের পরাজয়ের নগ্ন প্রতিশোধ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বিবৃতিতে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়কে ‘মব রুল’ বা নৈরাজ্যের সময়কাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এতে দাবি করা হয়, পুলিশ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের পাঁচ শতাধিক
নেতাকর্মীসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া, মিথ্যা মামলায় প্রায় ৪ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা এবং ১৫০ জন সাবেক আইন প্রণেতাকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, বাকস্বাধীনতার কণ্ঠরোধ এবং ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক ধস ও পররাষ্ট্রনীতিতে টানাপোড়েন দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থাকে ‘খাদের কিনারে’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, পরিকল্পিতভাবে শিল্প-কারখানা ধ্বংস করার ফলে প্রায় ৩০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং অসংখ্য মানুষ চাকরি হারিয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
নির্বাচনের প্রস্তুতিকে ‘নীলনকশার ফাঁদ’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য নানান ফন্দি-ফিকির করা হচ্ছে। কিন্তু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই পারে দেশকে এই অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে।” বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, বিভাজন সৃষ্টি করে এবং বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ভোটের বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন হলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে। সবশেষে, আওয়ামী লীগ অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হবে এবং গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই বিবৃতি প্রদান
করেন।
হটিয়ে অসাংবিধানিক শক্তি ক্ষমতা দখল করেছে। সংবিধান লঙ্ঘন করে সংসদ ভেঙে দেওয়া, বিচারপতিদের অপসারণ এবং উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার অভিযোগ তোলা হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্থাপনায় আঘাত আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলোর ওপর নজিরবিহীন হামলা চালানো হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি, মুজিবনগর স্মৃতিস্মারক, জাতীয় চার নেতার ম্যুরালসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘একাত্তরের পরাজয়ের নগ্ন প্রতিশোধ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বিবৃতিতে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়কে ‘মব রুল’ বা নৈরাজ্যের সময়কাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এতে দাবি করা হয়, পুলিশ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের পাঁচ শতাধিক
নেতাকর্মীসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া, মিথ্যা মামলায় প্রায় ৪ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা এবং ১৫০ জন সাবেক আইন প্রণেতাকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, বাকস্বাধীনতার কণ্ঠরোধ এবং ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক ধস ও পররাষ্ট্রনীতিতে টানাপোড়েন দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থাকে ‘খাদের কিনারে’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, পরিকল্পিতভাবে শিল্প-কারখানা ধ্বংস করার ফলে প্রায় ৩০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং অসংখ্য মানুষ চাকরি হারিয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
নির্বাচনের প্রস্তুতিকে ‘নীলনকশার ফাঁদ’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য নানান ফন্দি-ফিকির করা হচ্ছে। কিন্তু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই পারে দেশকে এই অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে।” বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, বিভাজন সৃষ্টি করে এবং বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ভোটের বাইরে রেখে কোনো নির্বাচন হলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে। সবশেষে, আওয়ামী লীগ অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হবে এবং গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই বিবৃতি প্রদান
করেন।



