ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
‘দেখামাত্র গ্রেপ্তার’ নির্দেশ: ইউনুস সরকারের নগ্ন ফ্যাসিবাদ
নারায়ণগঞ্জে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেওয়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের ভাষায়, এটি আইন ও সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে রাজনৈতিক নিপীড়নের প্রকাশ্য নির্দেশ।
বুধবার নারায়ণগঞ্জের বিকেএমইএ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শরিফ ওসমান হাদির সমর্থকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা আছে কি না, তা বিবেচ্য নয়—তাদের দেখামাত্রই গ্রেপ্তার করতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক সমর্থক অভিযোগ করেন, “আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশকে তথ্য দিলেও তারা গ্রেপ্তার করে না। পুলিশ বলে, মামলা নেই।” জবাবে উপদেষ্টা এই নির্দেশ দেন বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের উদ্ধৃতিতে জানা যায়।
এ সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের
তথাকথিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সুশীল সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কোনো উপদেষ্টা এভাবে মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারেন না। তাদের ভাষায়, এটি ব্যক্তিস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং রাজনৈতিক অধিকার—এই তিনটিরই স্পষ্ট লঙ্ঘন। সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের বক্তব্য প্রমাণ করে দেশে কার্যকর সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা নেই; প্রশাসনিক শক্তিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। তারা একে ‘নগ্ন ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেওয়া এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
তথাকথিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সুশীল সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কোনো উপদেষ্টা এভাবে মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারেন না। তাদের ভাষায়, এটি ব্যক্তিস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং রাজনৈতিক অধিকার—এই তিনটিরই স্পষ্ট লঙ্ঘন। সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের বক্তব্য প্রমাণ করে দেশে কার্যকর সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা নেই; প্রশাসনিক শক্তিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। তারা একে ‘নগ্ন ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেওয়া এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।



