ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা
২০০১ থেকে ২০০৬—এই সময়কালকে আজ কেউ কেউ পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের “স্বর্ণযুগ” হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। আর সেই সময়ের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা তারেক রহমানকে বানানো হচ্ছে তথাকথিত “রাষ্ট্রনায়ক”। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন কৃতিত্বের ভিত্তিতে?
বাস্তব ইতিহাস বলছে, এই পাঁচ বছর ছিল বাংলাদেশের জন্য দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও গণতন্ত্র ধ্বংসের এক অন্ধকার অধ্যায়।
এই সময়েই বাংলাদেশ টানা পাঁচবার বিশ্বে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। এটি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) এর প্রকাশিত তথ্য, যা সে সময় বিএনপির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মিডিয়া প্রথম আলো নিজেই প্রচার করেছিল। ‘হাওয়া ভবন’ হয়ে ওঠে অঘোষিত ক্ষমতার কেন্দ্র, যেখানে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বদলে চলত পরিবারকেন্দ্রিক দুর্নীতির রাজনীতি।
সেই সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী চরিত্র ছিলেন তারেক রহমান। বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা ছিল নিত্যদিনের চিত্র। পাঁচ বছরে মাত্র ১০৮ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। মোট উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৪২০০ মেগাওয়াট, ফলে সাধারণ মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং। ‘খাম্বা’ দুর্নীতি আজও সেই ব্যর্থতার প্রতীক। এই সরকারেই যুদ্ধাপরাধী নিজামী ও মুজাহিদ পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা পায়। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ক্ষত আজও সমাজে বহমান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস রাজনৈতিক হত্যাচেষ্টা। শেখ হাসিনাকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্য নিয়ে চালানো এই হামলায় ২৪ জন নিহত ও ৫০০-এর বেশি
মানুষ আহত হন। বিচারকে ধামাচাপা দিতে জাতি দেখেছে কুখ্যাত “জজ মিয়া নাটক”। রাষ্ট্রীয় মদদেই জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। বাংলা ভাইয়ের মতো জঙ্গিরা প্রকাশ্যে তৎপরতা চালায়, আর ২০০৫ সালে ৬৩ জেলায় একযোগে ৫০০ স্থানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বাংলাদেশ তখন বিশ্বদরবারে পরিচিত হয় একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে। চট্টগ্রামে ধরা পড়ে দশ ট্রাক অবৈধ অস্ত্রের চালান, যা প্রমাণ করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ভঙ্গুর ও রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকেও ছিল চরম ব্যর্থতা— দারিদ্র্যের হার প্রায় ৪২% মাথাপিছু আয় মাত্র ৫৯৯ ডলার সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন পৌঁছায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ১৪ বছরের কিশোরী পূর্ণিমা শিলের গ্যাং রেপের ঘটনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে লজ্জিত করে। এসব ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অভিযোগ নয়, কোনো আবেগী
বক্তব্যও নয় সবই নথিভুক্ত, প্রমাণিত ও ইতিহাসের অংশ। এই বাস্তবতার পরেও যদি কেউ দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের অন্যতম নায়ক তারেক রহমানকে রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা চালায়, তবে তা নতুন কিছু নয় এটি ইতিহাস বিকৃতি ও জনগণের স্মৃতির সাথে নির্মম প্রতারণা। রাষ্ট্রনায়ক বানানো যায় অর্জন দিয়ে, দুর্নীতির উত্তরাধিকার দিয়ে নয়।
সেই সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী চরিত্র ছিলেন তারেক রহমান। বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা ছিল নিত্যদিনের চিত্র। পাঁচ বছরে মাত্র ১০৮ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। মোট উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৪২০০ মেগাওয়াট, ফলে সাধারণ মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং। ‘খাম্বা’ দুর্নীতি আজও সেই ব্যর্থতার প্রতীক। এই সরকারেই যুদ্ধাপরাধী নিজামী ও মুজাহিদ পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা পায়। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ক্ষত আজও সমাজে বহমান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস রাজনৈতিক হত্যাচেষ্টা। শেখ হাসিনাকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্য নিয়ে চালানো এই হামলায় ২৪ জন নিহত ও ৫০০-এর বেশি
মানুষ আহত হন। বিচারকে ধামাচাপা দিতে জাতি দেখেছে কুখ্যাত “জজ মিয়া নাটক”। রাষ্ট্রীয় মদদেই জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। বাংলা ভাইয়ের মতো জঙ্গিরা প্রকাশ্যে তৎপরতা চালায়, আর ২০০৫ সালে ৬৩ জেলায় একযোগে ৫০০ স্থানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বাংলাদেশ তখন বিশ্বদরবারে পরিচিত হয় একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে। চট্টগ্রামে ধরা পড়ে দশ ট্রাক অবৈধ অস্ত্রের চালান, যা প্রমাণ করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ভঙ্গুর ও রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকেও ছিল চরম ব্যর্থতা— দারিদ্র্যের হার প্রায় ৪২% মাথাপিছু আয় মাত্র ৫৯৯ ডলার সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন পৌঁছায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ১৪ বছরের কিশোরী পূর্ণিমা শিলের গ্যাং রেপের ঘটনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে লজ্জিত করে। এসব ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অভিযোগ নয়, কোনো আবেগী
বক্তব্যও নয় সবই নথিভুক্ত, প্রমাণিত ও ইতিহাসের অংশ। এই বাস্তবতার পরেও যদি কেউ দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের অন্যতম নায়ক তারেক রহমানকে রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা চালায়, তবে তা নতুন কিছু নয় এটি ইতিহাস বিকৃতি ও জনগণের স্মৃতির সাথে নির্মম প্রতারণা। রাষ্ট্রনায়ক বানানো যায় অর্জন দিয়ে, দুর্নীতির উত্তরাধিকার দিয়ে নয়।



