ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা
শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট
প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ
কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি-স্থানীয়দের তৎপরতায় ব্যর্থ
হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ
পুশ ইন ঠেকাতে লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি, সতর্ক স্থানীয়রাও
সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযানের মধ্যেই খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
দুমকিতে ধর্ষক গ্রেফতার
দুমকিতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে শাহীন হাওলাদার (৪৩) ওরফে কসাই শাহীন নামের যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার দুমকি আনন্দ বাজার সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রহিম হাওলাদারের ছেলে পীরতলা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী শাহীনের সঙ্গে একই লেবুখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গার্মেন্টসকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ সম্পর্কের জেরে বিয়ের প্রলোভনে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতেও শারীরিক সম্পর্ক করে। ওইদিন বিয়ের জন্য বেশ চাপ দিলে শাহীন অস্বীকার করে দ্রুত চলে যান এবং সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
গত
২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে শাহীনকে খুঁজতে উপজেলার আনন্দবাজার এলাকায় গেলে তিনিসহ তার স্ত্রী শারমিন (৩০) ও ছেলে মিয়াদ (১৮) মিলে ওই নারীকে পিটিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রাখেন। পরে উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে ওই নারী বাদী হয়ে অভিযুক্ত শাহীনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শাহীনকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়। দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন মামলার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত আসামিকে কোর্টে চালান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে শাহীনকে খুঁজতে উপজেলার আনন্দবাজার এলাকায় গেলে তিনিসহ তার স্ত্রী শারমিন (৩০) ও ছেলে মিয়াদ (১৮) মিলে ওই নারীকে পিটিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রাখেন। পরে উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে ওই নারী বাদী হয়ে অভিযুক্ত শাহীনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শাহীনকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়। দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন মামলার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত আসামিকে কোর্টে চালান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।



