ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
দুবাইয়ে যৌন ব্যবসা চক্রের প্রধান গ্রেপ্তার
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে অসহায় নারীদের শোষণ-নির্যাতনের এবং তাদের দিয়ে যৌন ব্যবসা করাচ্ছে একটি চক্র। এ নিয়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ইউএইর গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান শুরু করে। অবশেষে চক্রটির মূল হোতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম চার্লস ‘অ্যাবি’ মোসিগা। তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্য কোনো ঘোষণা দেয়নি। ইউএইর আদালতে মোসিগাকে তোলা হয়েছে কি না বা তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একটি সূত্র বলছে, তাকে আল আওয়াইরে কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।
বিবিসি জানায়, এ ব্যক্তি বিবিসির প্রতিবেদককে বলেছিলেন, একটি সেক্স
পার্টির জন্য তিনি ন্যূনতম এক হাজার ডলার দরে নারী সরবরাহ করতে পারবেন। তাকে টাকা পরিশোধ করলে নারীদের দিয়ে যে কোনো কাজ করানো যাবে বলেও তিনি জানান। মোসিগার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন উগান্ডার কয়েকজন তরুণী। তারা জানান, চাকরি ও সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দুবাই এনে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। এরপর থেকে তারা এক প্রকারের জিম্মি। এদিকে গত সপ্তাহে ইউএইর উগান্ডা দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, মানব পাচারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিয়েছে। মোসিগার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উগান্ডা দূতাবাস ।
পার্টির জন্য তিনি ন্যূনতম এক হাজার ডলার দরে নারী সরবরাহ করতে পারবেন। তাকে টাকা পরিশোধ করলে নারীদের দিয়ে যে কোনো কাজ করানো যাবে বলেও তিনি জানান। মোসিগার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন উগান্ডার কয়েকজন তরুণী। তারা জানান, চাকরি ও সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দুবাই এনে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। এরপর থেকে তারা এক প্রকারের জিম্মি। এদিকে গত সপ্তাহে ইউএইর উগান্ডা দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, মানব পাচারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিয়েছে। মোসিগার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উগান্ডা দূতাবাস ।



