ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কম: শুধু ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ চলছে
প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল মালয়েশিয়ার: একই ধরনের চুক্তি করা বাংলাদেশ কী করবে?
ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট’ তা-ও শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল মালয়েশিয়া
গোয়েন্দা মন্ত্রীর নিহতের খবর নিশ্চিত করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক
জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
দুই বছর প্রতিদিন ইসরায়েলে হামলার সক্ষমতা আছে ইরানের : আইআরজিসি
ইরান প্রতিদিন ইসরায়েলে হামলা চালানোর মতো সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি।
সোমবার ইরানের আধাসরকারি মেহর নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের অস্ত্রাগার, ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সামরিক সুবিধাগুলো এত বিশাল যে, আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার বড় অংশ এখনো প্রদর্শন করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে আমাদের সামরিক সরঞ্জাম শেষ হবে না, এমনকি প্রতিদিন দুই বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও।’
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভিও একই ধরনের মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘জায়োনিস্টরা জানে আমাদের নৌবাহিনী,
কুদস ফোর্স এমনকি সেনাবাহিনীর বড় অংশ এখনো যুদ্ধে নামেনি।’ সাফাভি আরও জানান, ‘আমরা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন করেছি এবং সেগুলোর অবস্থান নিরাপদ।’ গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ৯৩৫ জন নিহত হয় এবং আহত হয় ৫ হাজার ৩৩২ জন। প্রতিশোধে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে ২৯ জন নিহত ও ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি আহত হয়। ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংঘটিত এক যুদ্ধবিরতিতে এ সংঘাত শেষ হয়। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
কুদস ফোর্স এমনকি সেনাবাহিনীর বড় অংশ এখনো যুদ্ধে নামেনি।’ সাফাভি আরও জানান, ‘আমরা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন করেছি এবং সেগুলোর অবস্থান নিরাপদ।’ গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ৯৩৫ জন নিহত হয় এবং আহত হয় ৫ হাজার ৩৩২ জন। প্রতিশোধে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে ২৯ জন নিহত ও ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি আহত হয়। ২৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংঘটিত এক যুদ্ধবিরতিতে এ সংঘাত শেষ হয়। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি



