ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলজেরিয়ায় এতিমখানায় আগুন লেগে ১১ জনের মৃত্যু
দুবাইয়ের ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল ভিসা পেতে যা লাগবে
ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ধোঁয়ার চাদরে উত্তর আমেরিকা!
এপস্টেইন-বিতর্কের জেরে গেটস ফাউন্ডেশনে অনুদান দেওয়া বন্ধ করলেন বাফেট
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ব্যার্থ: টানা চতুর্থ রাতেও হামলা, হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে নৌ-অবরোধ
মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান
দুই কোরিয়ার পুনর্মিলনের দাবির মধ্যে কিমের নতুন মানচিত্র, বিভ্রান্তি
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। ১৯৫০ এর দশকে কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে দুই কোরিয়ার মধ্যে পুনর্মিলন প্রচেষ্টা সফল হয়নি। তবে সম্প্রতি ইন্টারনেটে ভাইরাল উত্তর কোরিয়ার একটি মানচিত্রের ছবি নীতি গবেষক (পলিসি রিসার্চার) থেকে শুরু করে ব্যবহারকারীদেরও বিভ্রান্ত করেছে। ভাইরাল এই মানচিত্রে কোরীয় উপদ্বীপকে দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত দেখানো হয়েছে।
মানচিত্রটি চীনা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রেডনোট (শিয়াওহংশু)- এ শেয়ার করা হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে সংশোধিত মানচিত্রটি ২০২৪ সালের এপ্রিলে শেয়ার করা হয়েছিল। খবর নিউজউইকের।
পিয়ংইয়ং গত কয়েক দশক ধরে সিউলের সঙ্গে পুনর্মিলনের দাবি জানিয়ে আসছিল কিন্তু তা সব সময় নিজেদের শর্তে। ১৯৫৩
সালে তিন বছর ধরে চলা কোরিয়ান যুদ্ধ শেষ হয় কোনও রকম শান্তি চুক্তি ছাড়াই, এমনকি এখনো কোনও শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি দুদেশের মধ্যে। নিউজউইকের মতে, মানচিত্রে কেবল উত্তর কোরিয়ার প্রশাসনিক জেলাগুলোকে দেখানো হয়েছে এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে, দক্ষিণ কোরিয়াকে চীনের মতো ধূসর রঙে দেখানো হয়েছিল এবং কেবল ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তারা মানচিত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘পুতুল কোরিয়া’ হিসাবে উল্লেখ করতো, যা বোঝায় যে, দক্ষিণ একটি স্বাধীন দেশ নয় বরং একটি ‘মার্কিন পুতুল রাষ্ট্র’। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন গত অক্টোবরের এক ভাষণে বলেন, আগে আমরা দক্ষিণকে (দক্ষিণ কোরিয়া) স্বাধীন
করার এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশকে একত্রিত করার বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা এতে মোটেও আগ্রহী নই, এবং যেহেতু আমরা দুটি দেশ ঘোষণা করেছি, তাই আমরা সেই দেশ সম্পর্কে সচেতনও নই। ’
সালে তিন বছর ধরে চলা কোরিয়ান যুদ্ধ শেষ হয় কোনও রকম শান্তি চুক্তি ছাড়াই, এমনকি এখনো কোনও শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি দুদেশের মধ্যে। নিউজউইকের মতে, মানচিত্রে কেবল উত্তর কোরিয়ার প্রশাসনিক জেলাগুলোকে দেখানো হয়েছে এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে, দক্ষিণ কোরিয়াকে চীনের মতো ধূসর রঙে দেখানো হয়েছিল এবং কেবল ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তারা মানচিত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘পুতুল কোরিয়া’ হিসাবে উল্লেখ করতো, যা বোঝায় যে, দক্ষিণ একটি স্বাধীন দেশ নয় বরং একটি ‘মার্কিন পুতুল রাষ্ট্র’। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন গত অক্টোবরের এক ভাষণে বলেন, আগে আমরা দক্ষিণকে (দক্ষিণ কোরিয়া) স্বাধীন
করার এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশকে একত্রিত করার বিষয়ে অনেক কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা এতে মোটেও আগ্রহী নই, এবং যেহেতু আমরা দুটি দেশ ঘোষণা করেছি, তাই আমরা সেই দেশ সম্পর্কে সচেতনও নই। ’



