ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চবিতে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রতিমাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমার নির্দেশ
শিক্ষকদের জন্য সুখবর
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
দুই উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা স্বরাষ্ট্র এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছেন। দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকে তারা একদিনব্যাপী কর্মবিরতি পালন করছেন। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
প্রাথমিক শিক্ষকদের মূল দাবি হলো- বর্তমান ১৩তম গ্রেড থেকে বেতন স্কেল উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে উন্নয়ন করা হোক।
এর আগে শিক্ষকরা শনিবার (৮ নভেম্বর) শাহবাগে ‘কলম সমর্পণ’ কর্মসূচির সময় পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপে আহত হওয়ার ঘটনারও কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, পুলিশী হামলার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
শনিবার সকালে তারা দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে এবং
দশম গ্রেডের দাবিতে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেলে পদযাত্রার সময় শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের বাধার মুখে সংঘর্ষ ঘটে, যার ফলে শতাধিক শিক্ষক আহত হন। শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, তারা ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি সংগঠনের ব্যানারে সকাল থেকে শহীদ মিনারে অবস্থান করেছিলেন। পদযাত্রার সময় পুলিশ ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশের জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারে শিক্ষকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত চলে যান। এতে অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দশম গ্রেডের দাবিতে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেলে পদযাত্রার সময় শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের বাধার মুখে সংঘর্ষ ঘটে, যার ফলে শতাধিক শিক্ষক আহত হন। শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, তারা ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি সংগঠনের ব্যানারে সকাল থেকে শহীদ মিনারে অবস্থান করেছিলেন। পদযাত্রার সময় পুলিশ ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশের জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারে শিক্ষকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত চলে যান। এতে অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



