ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
দিল্লীতে বিস্ফোরণ: তদন্তে বাংলাদেশি সংযোগের ইঙ্গিত ভারতের
বাংলাদেশ সম্ভবত দিল্লীতে গাড়ি বোমা হামলার ঘটনায় জড়িয়েই যাচ্ছে। ভারতের জাতীয় তদন্ত এজেন্সি (NIA) এর তদন্তে আজ উঠে এসেছে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত ৪ জন বাংলাদেশীর নাম।
তারা আলকায়েদা নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। তারা বাংলাদেশ থেকে জাল পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। বার্তা সংস্থা Wion এর খবর মোতাবেক, তারা সন্ত্রাসবাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিল। বাংলাদেশ থেকে টাকাপয়সা আনা নেয়া এবং ভারতে সদস্য সংগ্রহের কাজে লিপ্ত ছিল।
গত বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে ভারতীয় সংস্থা ৫টি প্রদেশের ১০ জায়গায় অপারেশন চালায় এবং সর্বমোট ৪ জন বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের নাম হচ্ছে ১. মোহাম্মদ সজিব মিয়া ২. মুন্না খালিদ আনসারী ৩. আজারুল ইসলাম ৪. আব্দুল লতিফ।
তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ আরো প্রমাণাদি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে আলকায়েদার সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা থেকে এখনো পরিষ্কারভাবে বলা হয় নাই এই ৪ জন বাংলাদেশী দিল্লীতে হামলার সাথে জড়িত কিনা বা জড়িত থাকলেও তাদের ভূমিকা কি ছিল। তবে দিল্লীতে হামলার তদন্ত করতে গিয়ে এদের ধরা একটা সিগনিফিক্যান্ট ব্যাপার। এর আগে, সোমবার (১০ নভেম্বর) দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত আট জনের মৃত্যু ও আরও অনেক মানুষ আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিস্ফোরণের পর পুরো ভারতে সতর্কতা জারি করা হয়। হামলার পর গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক
খবরে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করা হয়।
তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ডিভাইসসহ আরো প্রমাণাদি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে আলকায়েদার সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা থেকে এখনো পরিষ্কারভাবে বলা হয় নাই এই ৪ জন বাংলাদেশী দিল্লীতে হামলার সাথে জড়িত কিনা বা জড়িত থাকলেও তাদের ভূমিকা কি ছিল। তবে দিল্লীতে হামলার তদন্ত করতে গিয়ে এদের ধরা একটা সিগনিফিক্যান্ট ব্যাপার। এর আগে, সোমবার (১০ নভেম্বর) দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত আট জনের মৃত্যু ও আরও অনেক মানুষ আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিস্ফোরণের পর পুরো ভারতে সতর্কতা জারি করা হয়। হামলার পর গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক
খবরে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করা হয়।



