ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
দিয়াবাড়িতে মিছিল শেষে নিখোঁজ: তুরাগ নদী থেকে ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে অংশ নিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তুরাগ নদী থেকে ছাত্রলীগ কর্মী মমিন খান শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩০ নভেম্বর রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় আয়োজিত মিছিল শেষে বাসায় ফেরার পথে তিনি নিখোঁজ হন।
নিহত মমিন খান শাকিলের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি উপজেলায়। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছোট পদে চাকরিরত ছিলেন এবং এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন।
নিহতের পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদে দিয়াবাড়িতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেন শাকিল। মিছিল শেষ করে বাসায় ফেরার পথে তার আর কোনো খোঁজ
পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর তুরাগ নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শাকিলের সহযোদ্ধা ও পরিবারের অভিযোগ, মিছিল শেষে বাসায় ফেরার পথেই তাকে অপহরণ করা হয়। এরপর নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। নিহত শাকিল দরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং তিনি এক শিশু সন্তানের জনক। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দলীয় ফোরামে তারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সহকর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবেন না এবং
এই হত্যার প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন।
পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর তুরাগ নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শাকিলের সহযোদ্ধা ও পরিবারের অভিযোগ, মিছিল শেষে বাসায় ফেরার পথেই তাকে অপহরণ করা হয়। এরপর নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। নিহত শাকিল দরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং তিনি এক শিশু সন্তানের জনক। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দলীয় ফোরামে তারা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সহকর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবেন না এবং
এই হত্যার প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন।



