ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব যুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সংগঠন দুটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, এর মাধ্যমে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এবং যুদ্ধাপরাধীদের এক ধরনের ‘মহিমান্বিত’ করার চেষ্টা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা নিবেদন না করে সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়েছে।
তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দাবি করে জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই শোক প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে
জনগণের সঙ্গে একপ্রকার প্রতারণা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর মধ্য দিয়ে বিএনপি মূলত যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে সম্পর্কিত পুরোনো নীতিরই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে। তারা দণ্ডপ্রাপ্ত কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংসদে শোক প্রস্তাবে যুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের নাম বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সংক্ষিপ্ত বিরতির পর রেওয়াজ অনুযায়ী শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এ সময় মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী এবং দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী–র নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার প্রস্তাব ওঠে। পরে সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান। তিনি বিএনপির
সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী–র নামও শোক প্রস্তাবে যুক্ত করেন। সংসদে আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ‘কলঙ্কজনক নজির’ বলছে ছাত্র ফ্রন্ট ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে পৃথক বিবৃতিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট–এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ এবং সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন বলেন, শোক প্রস্তাব গ্রহণের সময় সরকারদলীয় চিফ হুইপ গণহত্যার সহযোগী হিসেবে স্বীকৃত রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব গ্রহণের কথা বলেন এবং পরে স্পিকার তা অনুমোদন দেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম থেকে উদ্ভূত গণচেতনাকে পদদলিত করার এক কলঙ্কজনক নজির স্থাপন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের ছাত্রসমাজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ গত কয়েক দশকের গণআন্দোলনের
চেতনাকে পদদলিত করে গণশত্রুদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।Politics সংগঠন দুটি অবিলম্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাব থেকে যুদ্ধাপরাধীদের নাম এক্সপাঞ্জ বা বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
জনগণের সঙ্গে একপ্রকার প্রতারণা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর মধ্য দিয়ে বিএনপি মূলত যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে সম্পর্কিত পুরোনো নীতিরই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে। তারা দণ্ডপ্রাপ্ত কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংসদে শোক প্রস্তাবে যুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের নাম বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সংক্ষিপ্ত বিরতির পর রেওয়াজ অনুযায়ী শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এ সময় মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী এবং দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী–র নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার প্রস্তাব ওঠে। পরে সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান। তিনি বিএনপির
সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী–র নামও শোক প্রস্তাবে যুক্ত করেন। সংসদে আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। ‘কলঙ্কজনক নজির’ বলছে ছাত্র ফ্রন্ট ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে পৃথক বিবৃতিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট–এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ এবং সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন বলেন, শোক প্রস্তাব গ্রহণের সময় সরকারদলীয় চিফ হুইপ গণহত্যার সহযোগী হিসেবে স্বীকৃত রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব গ্রহণের কথা বলেন এবং পরে স্পিকার তা অনুমোদন দেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম থেকে উদ্ভূত গণচেতনাকে পদদলিত করার এক কলঙ্কজনক নজির স্থাপন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের ছাত্রসমাজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ গত কয়েক দশকের গণআন্দোলনের
চেতনাকে পদদলিত করে গণশত্রুদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।Politics সংগঠন দুটি অবিলম্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাব থেকে যুদ্ধাপরাধীদের নাম এক্সপাঞ্জ বা বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।



