ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
দখলদার ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের নির্বাচনের আসল উদ্দেশ্যটা হচ্ছে দেশকে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা।
এটা শুধু দেশের সবচেয়ে বেশি সমর্থকের দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন আয়োজন না, এটা ধাপে ধাপে রাষ্ট্রকে জঙ্গিবাদী শক্তির জন্য নিরাপদ করে তোলার প্রক্রিয়া।
যাদের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল, যারা সন্ত্রাস, বোমা, হত্যার সাথে জড়িত তাদেরকে “মূলধারায়” নিয়ে আসা নিয়ে আসা হয়েছে। কারাগারের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে, মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে, আদর্শিকভাবে জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে। আর এই পুরো রূপান্তরের জন্য দরকার একটা জিনিস "ভোটের সাইনবোর্ড"।
কারণ সরাসরি বললে মানুষ মানবে না যে দেশকে জঙ্গিবাদীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। তাই জনগণকে ধোকা দিতেই নাম দেওয়া হয়েছে "নির্বাচন"।
কিন্তু বাস্তবে এই ভোটের আয়োজনের মানে একটাই, রাষ্ট্রীয় বৈধতা দেওয়া হচ্ছে সেই শক্তিগুলোকে, যারা
বাংলাদেশকে আবার অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়। এই কারণেই দেশের সবচেয়ে বড়, ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কারণ তারা থাকলে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব না। তাই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রেখে মাঠ ফাঁকা করা হয়েছে, এখন প্রতিদ্বন্দ্বী নাই, ভোটারও নাই। আর এই শূন্যতার মধ্যেই জঙ্গিবাদী রাজনীতির জন্য রেড কার্পেট বিছানো হচ্ছে। কিন্তু এখানেই হিসাবটা ভুল। বাংলাদেশের জনগণ বোকা না। দেশ জঙ্গিদের হাতে গেলে কি হয় তা মানুষ দেখেছে। এই কারণেই মানুষ বলছে, কিসের হ্যাঁ, কিসের না ভোট দিতেই যাব না।
বাংলাদেশকে আবার অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়। এই কারণেই দেশের সবচেয়ে বড়, ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কারণ তারা থাকলে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব না। তাই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রেখে মাঠ ফাঁকা করা হয়েছে, এখন প্রতিদ্বন্দ্বী নাই, ভোটারও নাই। আর এই শূন্যতার মধ্যেই জঙ্গিবাদী রাজনীতির জন্য রেড কার্পেট বিছানো হচ্ছে। কিন্তু এখানেই হিসাবটা ভুল। বাংলাদেশের জনগণ বোকা না। দেশ জঙ্গিদের হাতে গেলে কি হয় তা মানুষ দেখেছে। এই কারণেই মানুষ বলছে, কিসের হ্যাঁ, কিসের না ভোট দিতেই যাব না।



