ত্রাণবাহী নৌযান আটকে দেওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ জুন, ২০২৫

ত্রাণবাহী নৌযান আটকে দেওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ জুন, ২০২৫ |
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দিকে ত্রাণ নিয়ে যাত্রা শুরু করা একটি ছোট নৌযানকে আটকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। রোববার (৮ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সেনাবাহিনীকে এ নির্দেশ দেন। ‘ম্যাডলিন’ নামে এই ব্রিটিশ পতাকাবাহী নৌযানটিতে রয়েছেন সুপরিচিত পরিবেশবাদী গ্রেটা থুনবার্গসহ ১২ জন মানবাধিকারকর্মী। এই শান্তিপূর্ণ মিশনের উদ্দেশ্য গাজায় জরুরি ত্রাণ পৌঁছানো এবং ইসরায়েলি অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। ত্রাণবাহী নৌযানটি পরিচালনা করছে ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’ (এফএফসি) নামে একটি প্রো-প্যালেস্টাইন জোট। ৬ জুন সিসিলি থেকে যাত্রা শুরু করে এটি বর্তমানে মিসরের উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। নৌযানে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

সদস্য রিমা হাসানসহ আরও মানবাধিকারকর্মী। গ্রেটা থুনবার্গ জানিয়েছেন, গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয়ের প্রতিবাদে এবং অবরোধ ভাঙতে প্রতীকীভাবে অংশ নিচ্ছেন তিনি। ইসরায়েলি মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই ফ্লোটিলাকে ‘হামাসপন্থী প্রচার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, ম্যাডলিন গাজায় পৌঁছাতে পারবে না- এ নিয়ে আইডিএফকে আমি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, গাজার ওপর নৌ অবরোধ ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরিহার্য। এই অবরোধ কেউ ভাঙতে পারবে না। ফ্লোটিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌযানটিতে প্রতীকী ত্রাণসামগ্রী রয়েছে- যার মধ্যে চাল ও শিশুখাদ্য প্রধান। তারা জানায়, গাজা উপকূল থেকে এখনও প্রায় ২৯৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ‘ম্যাডলিন’। সংগঠনটির মুখপাত্র হাই শা উইয়া বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি, ইসরায়েল যে কোনো সময় বাধা দিতে

পারে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে ‘ম্যাডলিন’ নৌযানকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছে। সেটিকে পথেই থামিয়ে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরপর যাত্রীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তুরস্কের নেতৃত্বাধীন গাজাগামী ‘মাভি মারমারা’ বহরে ইসরায়েলি হামলায় ১০ জন নিহত হন। এবারও আন্তর্জাতিক মানবিক মিশনের বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের ফাতাহ কমব্যাট ও আরও অনেকে: জঙ্গি অবমুক্তকরণ, ধর্মীয় লেবাসের প্রতি সহানুভূতি ও ইন্টেরিম সরকারের দায়মুক্তির বিষফল “আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি রুমিন: জুলাই-আগষ্টে আমরা প্রতারিত হয়েছি, আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ–আন্দোলন হবে না বিশ্বকাপ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলারের রহস্যজনক মৃত্যু প্রভাবশালীদের মাছের ঘের রক্ষায় স্লুইসগেট বন্ধ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে দীর্ঘায়িত বন্যা দেশে বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, তবু বিশ্বজুড়ে ২৫টি দেশে ১৩৪টি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ ৬ মাসে সড়কে ঝরল ৩৬০ শিক্ষার্থীর প্রাণ: তবুও কেন ‘নিরাপদ সড়ক’ আন্দোলন হয় না? প্রতিদিনের ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই ডেকে আনছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অধ্যাপক ড. মজিবুল হক দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা নেই ২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে? শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন যেই মানবপাচার সিন্ডিকেট হোতার গ্রেফতার চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার, মালয়েশিয়া সফরে তার সাথেই সাক্ষাত করলেন তারেক রহমান যশোরে বিএনপি-জামায়াতের মব সন্ত্রাসে আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যু গত ৩ বছরের হিসাবে ২০২৬ এর প্রথম প্রান্তিকে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে যথাক্রমে ৫৮.৪৭% ও ৭০.৩৪% নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে? ডিসেম্বরে দেশে ফিরে নেতাকর্মীসহ ‘আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা’ হাসিনার