ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহপথে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশগামী অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজগুলোর যাত্রা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। প্রায় ৩ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী তিনটি চালান নির্ধারিত সময়ে দেশে পৌঁছাবে কি না—তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় ইরানের কাছে কূটনৈতিক সহায়তা চেয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ঢাকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে এ–সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বাংলাদেশমুখী তেলবাহী জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারে, সে বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে উত্থাপনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান
উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। বিশ্ব তেল বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশমুখী তেল চালানও ঝুঁকিতে পড়েছে। তিন চালানেই অনিশ্চয়তা জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাংকার এমটি নরডিক পোলাক্স গত ৩রা মার্চ থেকে সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের বহিরাংশে অবস্থান করছে। সেখান থেকে তেল বোঝাই করে বাংলাদেশে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় জাহাজটি এখনো যাত্রা শুরু করতে পারেনি। মার্চের শেষ দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে আরও প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল লোড হওয়ার কথা রয়েছে। হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি বিবেচনায় এবার জেবেল
ধান্নার পরিবর্তে ফুজাইরাহকে লোডিং পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে প্রায় ১ লাখ টনের আরেকটি চালান লোড হওয়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ টন অপরিশোধিত তেলের এই তিনটি চালানের সময়মতো দেশে পৌঁছানো এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রিফাইনারি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপের শঙ্কা চট্টগ্রামে অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দেশের একমাত্র ক্রুড অয়েল পরিশোধনাগার। প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত ১ লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড থেকে প্রায় ১৫–২০ শতাংশ পেট্রোল ও অকটেন এবং ৩০–৩৫ শতাংশ ডিজেল উৎপাদন করে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপরিশোধিত তেল না পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্চের চালানগুলো বিলম্বিত
হলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির দিকে ঝুঁকতে হতে পারে, যা তুলনামূলক বেশি ব্যয়বহুল। আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সময়মতো বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে বাজারে নতুন করে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিঠিতে জ্বালানির কৌশলগত গুরুত্বের উল্লেখ ইরানি দূতাবাসে পাঠানো চিঠিতে জ্বালানি বিভাগ উল্লেখ করেছে, দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশের পরিবহন, শিল্প, কৃষি ও জরুরি সেবায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, যা বাংলাদেশমুখী তেল চালানেও প্রভাব ফেলছে। তাই নির্ধারিত সময়ের
মধ্যে তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে ইরান সরকারের সহায়তা কামনা করা হয়েছে। বিকল্প উৎস খোঁজার চেষ্টা এদিকে সম্ভাব্য সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলায় ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত আরও ৬০ হাজার টন আমদানির সুযোগ থাকলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম
কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুদ রয়েছে ১৩ লাখ ৫২ হাজার ২১৬ টন। এ ছাড়া অকটেন ১৬ হাজার ৯২০ টন, পেট্রোল ১৬ হাজার ৬০৮ টন, ফার্নেস অয়েল ৫৪ হাজার ৬৪৬ টন এবং জেট ফুয়েল রয়েছে ৫১ হাজার ৩১৭ টন। তবে সম্প্রতি জ্বালানি রেশনিং প্রত্যাহারের ফলে চাহিদা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। ফলে অপরিশোধিত তেলের নির্ধারিত চালানগুলো সময়মতো দেশে পৌঁছানো এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঈদ সামনে রেখে রেশনিং প্রত্যাহার এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর পর সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় সরকার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ওপর আরোপিত রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা এবং বোরো মৌসুমে কৃষি খাতে জ্বালানির চাহিদা বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর আবারও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। বিশ্ব তেল বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশমুখী তেল চালানও ঝুঁকিতে পড়েছে। তিন চালানেই অনিশ্চয়তা জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাংকার এমটি নরডিক পোলাক্স গত ৩রা মার্চ থেকে সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের বহিরাংশে অবস্থান করছে। সেখান থেকে তেল বোঝাই করে বাংলাদেশে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় জাহাজটি এখনো যাত্রা শুরু করতে পারেনি। মার্চের শেষ দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে আরও প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল লোড হওয়ার কথা রয়েছে। হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি বিবেচনায় এবার জেবেল
ধান্নার পরিবর্তে ফুজাইরাহকে লোডিং পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে প্রায় ১ লাখ টনের আরেকটি চালান লোড হওয়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ টন অপরিশোধিত তেলের এই তিনটি চালানের সময়মতো দেশে পৌঁছানো এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রিফাইনারি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপের শঙ্কা চট্টগ্রামে অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দেশের একমাত্র ক্রুড অয়েল পরিশোধনাগার। প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত ১ লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড থেকে প্রায় ১৫–২০ শতাংশ পেট্রোল ও অকটেন এবং ৩০–৩৫ শতাংশ ডিজেল উৎপাদন করে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপরিশোধিত তেল না পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্চের চালানগুলো বিলম্বিত
হলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির দিকে ঝুঁকতে হতে পারে, যা তুলনামূলক বেশি ব্যয়বহুল। আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সময়মতো বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে বাজারে নতুন করে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিঠিতে জ্বালানির কৌশলগত গুরুত্বের উল্লেখ ইরানি দূতাবাসে পাঠানো চিঠিতে জ্বালানি বিভাগ উল্লেখ করেছে, দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশের পরিবহন, শিল্প, কৃষি ও জরুরি সেবায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, যা বাংলাদেশমুখী তেল চালানেও প্রভাব ফেলছে। তাই নির্ধারিত সময়ের
মধ্যে তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে ইরান সরকারের সহায়তা কামনা করা হয়েছে। বিকল্প উৎস খোঁজার চেষ্টা এদিকে সম্ভাব্য সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলায় ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তারা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের কথা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত আরও ৬০ হাজার টন আমদানির সুযোগ থাকলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম
কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুদ রয়েছে ১৩ লাখ ৫২ হাজার ২১৬ টন। এ ছাড়া অকটেন ১৬ হাজার ৯২০ টন, পেট্রোল ১৬ হাজার ৬০৮ টন, ফার্নেস অয়েল ৫৪ হাজার ৬৪৬ টন এবং জেট ফুয়েল রয়েছে ৫১ হাজার ৩১৭ টন। তবে সম্প্রতি জ্বালানি রেশনিং প্রত্যাহারের ফলে চাহিদা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। ফলে অপরিশোধিত তেলের নির্ধারিত চালানগুলো সময়মতো দেশে পৌঁছানো এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঈদ সামনে রেখে রেশনিং প্রত্যাহার এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর পর সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় সরকার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ওপর আরোপিত রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা এবং বোরো মৌসুমে কৃষি খাতে জ্বালানির চাহিদা বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর আবারও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।



