ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্ববাজারে কমে গেল স্বর্ণের দাম
১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা
তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই
জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০
তেলের দামে নাভিশ্বাস জনজীবন
এবার বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
তিন দিনে পেঁয়াজের কেজিতে দাম বাড়ল ১৫ টাকা
ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের। গত তিন দিনে মসলাজাতীয় পণ্যটির কেজিতে দাম ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যায়ে বিঘ্ন ঘটেছে। বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা কোনো কারণ ছাড়াই দাম বাড়াচ্ছেন।
আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁও, তেজগাঁওয়ের কলোনী বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ভালো মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। অপেক্ষাকৃত কম ভালো মানেরটা বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৭০ টাকা। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। তিন দিন আগেও এই দুই ধরনের পেঁয়াজ অন্তত ১৫ টাকা কমে কেনা গেছে।
বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা
বাড়লেও গত বছরের এই সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। গেল বছরের এই সময় পেঁয়াজের কেজি ছিল ১০৫ থেকে ১২০ টাকা। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিদনে দেখা গেছে, গত এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজের দর ৩০ শতাংশ বেড়েছে। তবে এক বছরের ব্যবধানে দাম কমেছে ৩৩ শতাংশ। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। বাজারে এখন যেসব পেঁয়াজ বেচাকেনা হচ্ছে সেগুলো সবই দেশি। কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী এরশাদ আলী বলেন, কোনো দেশ থেকে এখন পেঁয়াজ আসছে না। দেশের পেঁয়াজ দিয়েই চলছে বাজার। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে। গত তিন-চার দিনে পাইকারি মোকামে প্রতি মণে বেড়েছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এর
প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। তার ভাষ্য, এবার পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হয়েছে। তাই দাম বেশি বাড়বে না। আগারগাঁও কাঁচা বাজার থেকে ৭৫ টাকা দরে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন আসাদুল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, ‘চার-পাঁচ দিন আগে পেঁয়াজ কিনেছিলাম ৬০ টাকায়। আজ কিনতে হলো ১৫ টাকা বেশি দরে। কোনো কারণ ছাড়াই দাম বাড়ছে। বাজার এখনই তদারকি না করলে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম আরও বাড়াবে।’
বাড়লেও গত বছরের এই সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। গেল বছরের এই সময় পেঁয়াজের কেজি ছিল ১০৫ থেকে ১২০ টাকা। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিদনে দেখা গেছে, গত এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজের দর ৩০ শতাংশ বেড়েছে। তবে এক বছরের ব্যবধানে দাম কমেছে ৩৩ শতাংশ। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। বাজারে এখন যেসব পেঁয়াজ বেচাকেনা হচ্ছে সেগুলো সবই দেশি। কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী এরশাদ আলী বলেন, কোনো দেশ থেকে এখন পেঁয়াজ আসছে না। দেশের পেঁয়াজ দিয়েই চলছে বাজার। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে। গত তিন-চার দিনে পাইকারি মোকামে প্রতি মণে বেড়েছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এর
প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। তার ভাষ্য, এবার পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হয়েছে। তাই দাম বেশি বাড়বে না। আগারগাঁও কাঁচা বাজার থেকে ৭৫ টাকা দরে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন আসাদুল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, ‘চার-পাঁচ দিন আগে পেঁয়াজ কিনেছিলাম ৬০ টাকায়। আজ কিনতে হলো ১৫ টাকা বেশি দরে। কোনো কারণ ছাড়াই দাম বাড়ছে। বাজার এখনই তদারকি না করলে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম আরও বাড়াবে।’



