ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
ড. ইউনূসের প্যারিস যাত্রা: একেবারেই কি গেলেন, নাকি রইলো কিছু বাকি?
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার সকালে ঢাকা ত্যাগ করে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে সকাল সোয়া ৭টার দিকে তিনি দেশ ছাড়েন বলে জানা গেছে।
এই সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে এটাকে ড. ইউনূসের বাংলাদেশ থেকে ‘একেবারে চলে যাওয়া’ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে গত কয়েকদিন ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের হামের টিকা কেলেংকারিতে ছ’শতাধিক শিশু মৃত্যু সারা দেশব্যাপী ড ইউনূসের প্রতি মানুষের ক্ষোভ চরম আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের করা মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তি, ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ এবং অন্যান্য বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সমন্বয়ক ও রাজনৈতিক
দলগুলো দায়িত্ব এড়িয়ে ড. ইউনূসের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছিলেন। তার পরপরই প্যারিস যাত্রা, “একেবারে চলে যাওয়া” ধারণাকে আরও জোরালো করেছে। ড. ইউনূস দীর্ঘদিন ধরে প্যারিসে বসবাস করতেন এবং গ্রামীণ ব্যাংক ও সামাজিক ব্যবসার কাজে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ করেন। ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর তিনি দেশে কিছু সময় কাটিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিতর্ক এড়িয়ে তাঁর পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো এখনও কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন, “প্যারিসই তাঁর আসল ঠিকানা, বাংলাদেশ শুধু দায়িত্ব পালনের জায়গা ছিল।” আবার কেউ কেউ বলছেন, এটি হয়তো সাময়িক সফর, স্বাস্থ্য বা ব্যক্তিগত কাজে গিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের
অনেক সমর্থকও এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন।। ড. ইউনূসের প্রেস সচিব বা ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি। তবে তাঁর দীর্ঘদিনের বাসস্থান প্যারিসে ফিরে যাওয়া এবং দেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দলগুলো দায়িত্ব এড়িয়ে ড. ইউনূসের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছিলেন। তার পরপরই প্যারিস যাত্রা, “একেবারে চলে যাওয়া” ধারণাকে আরও জোরালো করেছে। ড. ইউনূস দীর্ঘদিন ধরে প্যারিসে বসবাস করতেন এবং গ্রামীণ ব্যাংক ও সামাজিক ব্যবসার কাজে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ করেন। ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর তিনি দেশে কিছু সময় কাটিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিতর্ক এড়িয়ে তাঁর পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো এখনও কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন, “প্যারিসই তাঁর আসল ঠিকানা, বাংলাদেশ শুধু দায়িত্ব পালনের জায়গা ছিল।” আবার কেউ কেউ বলছেন, এটি হয়তো সাময়িক সফর, স্বাস্থ্য বা ব্যক্তিগত কাজে গিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের
অনেক সমর্থকও এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন।। ড. ইউনূসের প্রেস সচিব বা ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি। তবে তাঁর দীর্ঘদিনের বাসস্থান প্যারিসে ফিরে যাওয়া এবং দেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



