ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল
ড. ইউনুস কোনো রাজনীতিবিদ নন, কোনো রাষ্ট্রনায়কও নন—তিনি আন্তর্জাতিক ভিক্ষাবৃত্তির এক সুপরিকল্পিত দালাল। তাঁর রাজনীতি জনগণের ভোটে নয়, বিদেশি দরবারের করুণায় দাঁড়িয়ে। দেশে ব্যর্থ হলেই তিনি দৌড়ান ওয়াশিংটন, লন্ডন, ব্রাসেলস বাংলাদেশকে তুলে ধরেন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে, যেন বিদেশিরা ‘দয়া করে’ হস্তক্ষেপ করে।
এই ভিক্ষাবৃত্তির অফিস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে। কোথাও মানবাধিকার, কোথাও গণতন্ত্র, কোথাও সংস্কারের নামে রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদা নিলামে তোলা হয়। তিনি দেশকে বিক্রি করেন গল্পে, কান্নায় আর মিথ্যা সংকটের বর্ণনায়। নিজের ক্ষমতার লোভ মেটাতে একটি জাতিকে দাঁড় করান করুণার ভিক্ষার লাইনে।
ড. ইউনুসের সবচেয়ে বড় অপরাধ—তিনি জনগণকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলেছেন। তাঁর রাজনীতিতে ভোট নেই, আন্দোলন নেই, রাস্তায় মানুষের শক্তি
নেই—আছে শুধু বিদেশি বিবৃতি আর দূতাবাসের প্রেস নোট। এই রাজনীতি আসলে গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে এক নগ্ন উপনিবেশবাদী মানসিকতা। রাষ্ট্র যখন নিজের সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তখনই ড. ইউনুস হাজির হন বিদেশি প্রভুর দরজায় ধর্না দিতে। তিনি জানেন—দেশের মানুষ তাঁকে ক্ষমতা দেয়নি, তাই ক্ষমতা ভিক্ষা করতেই হবে। ইতিহাসে তিনি নোবেলজয়ী হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক চরিত্র হিসেবেই চিহ্নিত হবেন।
নেই—আছে শুধু বিদেশি বিবৃতি আর দূতাবাসের প্রেস নোট। এই রাজনীতি আসলে গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে এক নগ্ন উপনিবেশবাদী মানসিকতা। রাষ্ট্র যখন নিজের সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তখনই ড. ইউনুস হাজির হন বিদেশি প্রভুর দরজায় ধর্না দিতে। তিনি জানেন—দেশের মানুষ তাঁকে ক্ষমতা দেয়নি, তাই ক্ষমতা ভিক্ষা করতেই হবে। ইতিহাসে তিনি নোবেলজয়ী হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক চরিত্র হিসেবেই চিহ্নিত হবেন।



