ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ
এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ
বিলিয়ন ডলারের ঢাক ভেঙে কমিশনের ভিক্ষা: বিনিয়োগ আনতে প্রণোদনায় নামল ইউনুস সরকার
বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তাকে হত্যা,জঙ্গী-সন্ত্রাসী দমনে অবৈধ ইউনূস গংয়ের অনীহা স্পষ্ট!
জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০
জামিন মিললেও মুক্তি নেই, নতুন গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও পায়ে শিকল, হাসপাতালে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা যুবলীগ নেতা মাসুম
ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে
দেশ বাঁচানো কোনো আবেগী স্লোগান নয় এটা আজ অস্তিত্বের প্রশ্ন। যে বাংলাদেশ একসময় উন্নয়ন, আত্মমর্যাদা ও নেতৃত্বের সাহসী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, মাত্র সতেরো মাসে তাকে পরিকল্পিতভাবে অকার্যকর, বিভ্রান্ত ও অনিশ্চিত রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। অর্ধ শতাব্দীর সংগ্রাম আর অর্জন ধ্বংসের এমন নির্লজ্জ অপচেষ্টা ইতিহাসে বিরল। এটি নিছক ব্যর্থতা নয় এটি একটি রাষ্ট্রকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।
আজ দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে নেতৃত্বশূন্যতার যন্ত্রণা। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি মানে শুধু একজন প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নয় এটা রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা, দৃঢ়তা ও অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়কত্বের অভাব। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়েছিল পরিকল্পিতভাবে, আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতার সঙ্গে। উন্নয়ন ছিল ধারাবাহিক, রাষ্ট্র ছিল আত্মমর্যাদাশীল। আজ সেই
ধারাবাহিকতা ভেঙে চুরমার। শেখ হাসিনার অর্জন কোনো প্রচারণার গল্প নয় সেগুলো ছিল দৃশ্যমান বাস্তবতা। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে নিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়ে অন্ধকার থেকে দেশকে আলোতে এনেছিলেন। পদ্মা সেতুর মতো আত্মমর্যাদার প্রতীক নির্মাণ করে প্রমাণ করেছিলেন, বাংলাদেশ কারও দয়ার ওপর নির্ভরশীল নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য হ্রাস সবই এসেছিল শক্ত নেতৃত্বের ফল হিসেবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ছিল সম্মানিত, আর শেখ হাসিনা ছিলেন দৃঢ় ও গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রনায়ক। অথচ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের হাতে রাষ্ট্র পড়ে গেছে অনিময়, সিদ্ধান্তহীনতা ও আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতির কবলে। যে নৈতিকতা ও মানবিকতার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তা পরিণত হয়েছে
দায় এড়ানোর কৌশলে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তার ব্যর্থতা আজ আর গোপন নেই। অর্থনীতিতে আস্থার সংকট, প্রশাসনে দিশাহীনতা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবস্থান দুর্বল সবই অনিময় নেতৃত্বের সরাসরি ফল। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো এই ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। শেখ হাসিনার অর্জনকে অস্বীকার করার প্রবণতা কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীনতা নয়; এটি জাতির ইতিহাসের সঙ্গে শত্রুতা। ব্যক্তিগত ক্ষোভ চরিতার্থ করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে পরীক্ষাগারে পরিণত করা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র কোনো এনজিও নয়, আর জনগণ কোনো পরীক্ষার নমুনা নয়। দেশকে জঙ্গিবাদী, ব্যর্থ ও ভিক্ষুক রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপনের যে অপচেষ্টা চলছে, তা সরাসরি জাতীয় আত্মমর্যাদার ওপর আঘাত। এই অপমান মেনে নেওয়ার জন্য এ জাতি জন্ম নেয়নি। ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিচ্ছে
সাধারণ মানুষ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি থেকে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা পর্যন্ত। তবু ইতিহাস সাক্ষী এই জাতিকে দীর্ঘদিন বিভ্রান্ত করে রাখা যায় না। আহ্বান এলে মানুষ জাগে, প্রতারণার মুখোশ খুলে দেয়। আজ সেই সময় আবার এসেছে। সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। আলো আসবেই। কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, বাংলাদেশের মানুষ আলো চিনতে জানে আর আলো আনতেও জানে। আজ তাই ড. ইউনুসের পতন জনগণের একমাত্র দাবিতে পরিণত হয়েছে।
ধারাবাহিকতা ভেঙে চুরমার। শেখ হাসিনার অর্জন কোনো প্রচারণার গল্প নয় সেগুলো ছিল দৃশ্যমান বাস্তবতা। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে নিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়ে অন্ধকার থেকে দেশকে আলোতে এনেছিলেন। পদ্মা সেতুর মতো আত্মমর্যাদার প্রতীক নির্মাণ করে প্রমাণ করেছিলেন, বাংলাদেশ কারও দয়ার ওপর নির্ভরশীল নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য হ্রাস সবই এসেছিল শক্ত নেতৃত্বের ফল হিসেবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ছিল সম্মানিত, আর শেখ হাসিনা ছিলেন দৃঢ় ও গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রনায়ক। অথচ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের হাতে রাষ্ট্র পড়ে গেছে অনিময়, সিদ্ধান্তহীনতা ও আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতির কবলে। যে নৈতিকতা ও মানবিকতার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তা পরিণত হয়েছে
দায় এড়ানোর কৌশলে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তার ব্যর্থতা আজ আর গোপন নেই। অর্থনীতিতে আস্থার সংকট, প্রশাসনে দিশাহীনতা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবস্থান দুর্বল সবই অনিময় নেতৃত্বের সরাসরি ফল। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো এই ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। শেখ হাসিনার অর্জনকে অস্বীকার করার প্রবণতা কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীনতা নয়; এটি জাতির ইতিহাসের সঙ্গে শত্রুতা। ব্যক্তিগত ক্ষোভ চরিতার্থ করতে গিয়ে রাষ্ট্রকে পরীক্ষাগারে পরিণত করা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র কোনো এনজিও নয়, আর জনগণ কোনো পরীক্ষার নমুনা নয়। দেশকে জঙ্গিবাদী, ব্যর্থ ও ভিক্ষুক রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপনের যে অপচেষ্টা চলছে, তা সরাসরি জাতীয় আত্মমর্যাদার ওপর আঘাত। এই অপমান মেনে নেওয়ার জন্য এ জাতি জন্ম নেয়নি। ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিচ্ছে
সাধারণ মানুষ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি থেকে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা পর্যন্ত। তবু ইতিহাস সাক্ষী এই জাতিকে দীর্ঘদিন বিভ্রান্ত করে রাখা যায় না। আহ্বান এলে মানুষ জাগে, প্রতারণার মুখোশ খুলে দেয়। আজ সেই সময় আবার এসেছে। সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। আলো আসবেই। কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, বাংলাদেশের মানুষ আলো চিনতে জানে আর আলো আনতেও জানে। আজ তাই ড. ইউনুসের পতন জনগণের একমাত্র দাবিতে পরিণত হয়েছে।



