ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত
দেশে মাদক সেবনকারী ৮২ লাখ, প্রায় ৬১ লাখই গাঁজাখোর
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটি সাজানো প্রহসন ও সত্য বিকৃতির নগ্ন প্রচেষ্টা: বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা, সেই জনতা জাগবে আবার
অসুস্থতা ও ‘মিথ্যা’ মামলা: ১ বছরের বেশি কারাগারে শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগ সভাপতি, জামিন মিলছে না
মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, ব্রিটিশ সাংবাদিক ও বিবিসির ভয়েস অব ইন্ডিয়া খ্যাত স্যার মার্ক টালির মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক
ভারত ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত, নতুন ৩টি স্পেশাল ফোর্সেস ইউনিট গঠন
হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে
ডিএনসিসিতে ‘হিযবুত তাহরীর’ এজেন্ডা ও লুটপাট: দুদকের তলবে প্রশাসক এজাজ, নেপথ্যে প্রকৌশলী মঈন
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’-এর শীর্ষ নেতৃত্বের অভিযোগ, হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার—সব মিলিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) এক ভয়াবহ অরাজকতার মধ্যে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ উগ্রবাদী সংগঠনে জোগান দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অবশেষে এই ‘লুটপাট ও জঙ্গি সিন্ডিকেট’-এর বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রশাসক এজাজকে তলব করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এজাজের এই বিশাল দুর্নীতির সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে ‘ডান হাত’ হিসেবে কলকাঠি নাড়ছেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান
স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশে (স্মারক নং: ০০.০১.২৬০০.৬০৩.০১.১১৯৪.২৫.৪২০৪) মোহাম্মদ এজাজকে তলব করা হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগগুলো ডিএনসিসির প্রশাসনিক ধসের চিত্র তুলে ধরে: ১.গাবতলী পশুর হাট: ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম ও সরকারি রাজস্ব ক্ষতি। ২. বোরাক টাওয়ার (হোটেল শেরাটন): বনানীতে সিটি করপোরেশনের জমিতে নির্মিত বহুল আলোচিত বোরাক টাওয়ারের শেয়ার ও দখল নিয়ে চরম দুর্নীতি। ৩. ই-রিকশা প্রকল্প: ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমোদন ও প্রকল্প নিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার। ৪. মার্কেট ও দোকান বাণিজ্য: বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ এবং খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিংয়ের জায়গায় নকশা বহির্ভূতভাবে দোকান নির্মাণ ও বিক্রি। ৫. ফুটপাত ও ভ্যান সার্ভিস: ফুটপাতে দোকান
বসিয়ে চাঁদা আদায় এবং সিটি করপোরেশনের ভ্যান সার্ভিস খাত থেকে অর্থ লোপাট। কাগজে-কলমে প্রশাসক এজাজ অভিযুক্ত হলেও, নগর ভবনের অন্দরমহলের খবর—এসব দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ডিএনসিসিতে যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রকৌশল বিভাগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসিসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, এজাজের মৌখিক নির্দেশে সব বড় বড় টেন্ডার, অবৈধ নির্মাণ কাজ এবং বিল ছাড়ের ফাইল তৈরি ও ‘টেকনিক্যাল’ বৈধতা দেওয়ার কাজটি করেন মঈন উদ্দিন। বিশেষ করে খিলগাঁও তালতলায় পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান নির্মাণ এবং বোরাক টাওয়ার সংক্রান্ত জটিল ফাইলে প্রধান প্রকৌশলীর স্বাক্ষর ও সম্মতি রয়েছে। অভিযোগ
রয়েছে, প্রশাসককে তুষ্ট করে মঈন উদ্দিন ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দুদকের প্রাথমিক নোটিশে তার নাম না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ হলো তার রাজনৈতিক পরিচয়। বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও গণমাধ্যমের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’-এর একজন সক্রিয় নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অতীতে একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন, “মোহাম্মদ এজাজ ডিএনসিসির চেয়ারে বসে নিষিদ্ধ সংগঠনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন।” বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, গাবতলী হাট, ফুটপাত এবং ঠিকাদারি
খাত থেকে লুট করা কোটি কোটি টাকা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে উগ্রবাদী তহবিলে জমা হচ্ছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। নগর পরিকল্পনাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, কেবল প্রশাসককে তলব করলেই এই দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে বসে যারা উগ্রবাদী কার্যক্রম এবং লুটপাট চালায়, তারা রাষ্ট্রদোহী। সচেতন মহলের দাবি, দুদকের উচিত শুধু এজাজকে জিজ্ঞাসাবাদে সীমাবদ্ধ না থেকে দুর্নীতির প্রধান সহযোগী প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিনকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা। অন্যথায় দুর্নীতির এই সিন্ডিকেট কেবল ব্যক্তি বদলাবে, কিন্তু লুটপাটের চরিত্র বদলাবে না।
স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশে (স্মারক নং: ০০.০১.২৬০০.৬০৩.০১.১১৯৪.২৫.৪২০৪) মোহাম্মদ এজাজকে তলব করা হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগগুলো ডিএনসিসির প্রশাসনিক ধসের চিত্র তুলে ধরে: ১.গাবতলী পশুর হাট: ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম ও সরকারি রাজস্ব ক্ষতি। ২. বোরাক টাওয়ার (হোটেল শেরাটন): বনানীতে সিটি করপোরেশনের জমিতে নির্মিত বহুল আলোচিত বোরাক টাওয়ারের শেয়ার ও দখল নিয়ে চরম দুর্নীতি। ৩. ই-রিকশা প্রকল্প: ব্যাটারিচালিত রিকশার অনুমোদন ও প্রকল্প নিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার। ৪. মার্কেট ও দোকান বাণিজ্য: বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ এবং খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিংয়ের জায়গায় নকশা বহির্ভূতভাবে দোকান নির্মাণ ও বিক্রি। ৫. ফুটপাত ও ভ্যান সার্ভিস: ফুটপাতে দোকান
বসিয়ে চাঁদা আদায় এবং সিটি করপোরেশনের ভ্যান সার্ভিস খাত থেকে অর্থ লোপাট। কাগজে-কলমে প্রশাসক এজাজ অভিযুক্ত হলেও, নগর ভবনের অন্দরমহলের খবর—এসব দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ডিএনসিসিতে যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রকৌশল বিভাগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসিসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, এজাজের মৌখিক নির্দেশে সব বড় বড় টেন্ডার, অবৈধ নির্মাণ কাজ এবং বিল ছাড়ের ফাইল তৈরি ও ‘টেকনিক্যাল’ বৈধতা দেওয়ার কাজটি করেন মঈন উদ্দিন। বিশেষ করে খিলগাঁও তালতলায় পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান নির্মাণ এবং বোরাক টাওয়ার সংক্রান্ত জটিল ফাইলে প্রধান প্রকৌশলীর স্বাক্ষর ও সম্মতি রয়েছে। অভিযোগ
রয়েছে, প্রশাসককে তুষ্ট করে মঈন উদ্দিন ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দুদকের প্রাথমিক নোটিশে তার নাম না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ হলো তার রাজনৈতিক পরিচয়। বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও গণমাধ্যমের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’-এর একজন সক্রিয় নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অতীতে একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন, “মোহাম্মদ এজাজ ডিএনসিসির চেয়ারে বসে নিষিদ্ধ সংগঠনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন।” বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, গাবতলী হাট, ফুটপাত এবং ঠিকাদারি
খাত থেকে লুট করা কোটি কোটি টাকা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে উগ্রবাদী তহবিলে জমা হচ্ছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। নগর পরিকল্পনাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, কেবল প্রশাসককে তলব করলেই এই দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে বসে যারা উগ্রবাদী কার্যক্রম এবং লুটপাট চালায়, তারা রাষ্ট্রদোহী। সচেতন মহলের দাবি, দুদকের উচিত শুধু এজাজকে জিজ্ঞাসাবাদে সীমাবদ্ধ না থেকে দুর্নীতির প্রধান সহযোগী প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিনকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা। অন্যথায় দুর্নীতির এই সিন্ডিকেট কেবল ব্যক্তি বদলাবে, কিন্তু লুটপাটের চরিত্র বদলাবে না।



