ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
টাঙ্গাইলে জেলহাজতে আ.লীগ নেতার মৃত্যু: বিনা চিকিৎসায় ‘পরিকল্পিত হত্যা’র অভিযোগ
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় জেলহাজতে থাকাকালীন সুলতান নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। বিনা চিকিৎসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
নিহত সুলতান মির্জাপুর উপজেলার ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় ঠিক এক মাস আগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, সুলতানকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তা ছিল
সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগ উঠেছে, গত এক মাস ধরে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় সুলতান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেনি। আজ তার অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। এই মৃত্যুকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মানতে নারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তারা এই ঘটনাকে ‘আরেকটি জেল হত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
জানিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। তবে এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগ উঠেছে, গত এক মাস ধরে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় সুলতান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেনি। আজ তার অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। এই মৃত্যুকে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মানতে নারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তারা এই ঘটনাকে ‘আরেকটি জেল হত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
জানিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। তবে এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।



