ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল
ইউনূসের শাসনে বন্দী গণমাধ্যম ও জাতির বিবেক
ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হয় জামায়াত আমিরের !
গণমাধ্যম দমনে ‘ফেরাউনি’ ছায়া: ড. ইউনূসের শাসনে ভিন্নমত ও বিবেকের কারাবাস—একটি বিশ্লেষণ
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের জয়: বিএনপি নেতা মনার কণ্ঠেও প্রশংসা, জামায়াতকে বর্জনের ডাক
মণি সিংহের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
“যুদ্ধের আগেই বাঙালি সৈনিকদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা ছড়ায় গেছে, বঞ্চনাটা এত বেশি হয়েছে যে কোন বাঙালি সৈনিক এর (মুক্তিযুদ্ধের) বাইরে থাকেনি” –বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান চৌধুরী
জেল হেফাজতে মৃত্যুর মিছিল: ১৫ দিনের মাথায় কলাপাড়া আ.লীগ নেতার ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অধীনে কারাগারগুলো যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। বিরোধী দমনে চরম নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়ে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে জেল হেফাজতে হত্যার অভিযোগ উঠছে। এই ধারাবাহিকতায় গ্রেফতারের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় জেল হাজতে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল আলম বাবুল খানের (৫৫)।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে বরিশালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, সুস্থ সবল একজন মানুষকে ধরে নিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লাশ বানানো হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কলাপাড়া পৌরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ড থেকে পুলিশ বাবুল
খানকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। কিন্তু জেল হাজতে মাত্র ১৫ দিন অতিবাহিত হতে না হতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যান। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হৃদরোগের কথা বলা হলেও, স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি আসলেই স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি পুলিশি নির্যাতনের নির্মম পরিণতি? অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছরে জেল হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে এ পর্যন্ত ১৬২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বাবুল খানের মৃত্যু এই তালিকায় নতুন সংযোজন মাত্র। একটি সুস্থ মানুষকে গ্রেফতারের পর জেলখানার চার দেয়ালের ভেতর কী এমন ঘটল যে তাকে প্রাণ হারাতে হলো? এই প্রশ্ন এখন
কলাপাড়া উপজেলাবাসীর মুখে মুখে। বাবুল খানের মৃত্যুতে পুরো উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এলেও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে নেতাকর্মীদের মনে। সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ এই মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে ইঙ্গিত করে তীব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে জেল হেফাজতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মতে, ভিন্নমতের নেতাকর্মীদের দমনে সরকার যে পৈশাচিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে, বাবুল খানের মৃত্যু তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ। প্রতিনিয়ত কারাগার থেকে লাশ বেরিয়ে আসার ঘটনা প্রমাণ করে যে, বর্তমানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জন্য জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে এবং সেখানে পরিকল্পিত হত্যার ছক কষা
হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ঘোরতর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।
খানকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। কিন্তু জেল হাজতে মাত্র ১৫ দিন অতিবাহিত হতে না হতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যান। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হৃদরোগের কথা বলা হলেও, স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি আসলেই স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি পুলিশি নির্যাতনের নির্মম পরিণতি? অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছরে জেল হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে এ পর্যন্ত ১৬২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বাবুল খানের মৃত্যু এই তালিকায় নতুন সংযোজন মাত্র। একটি সুস্থ মানুষকে গ্রেফতারের পর জেলখানার চার দেয়ালের ভেতর কী এমন ঘটল যে তাকে প্রাণ হারাতে হলো? এই প্রশ্ন এখন
কলাপাড়া উপজেলাবাসীর মুখে মুখে। বাবুল খানের মৃত্যুতে পুরো উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এলেও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে নেতাকর্মীদের মনে। সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ এই মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে ইঙ্গিত করে তীব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে জেল হেফাজতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মতে, ভিন্নমতের নেতাকর্মীদের দমনে সরকার যে পৈশাচিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে, বাবুল খানের মৃত্যু তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ। প্রতিনিয়ত কারাগার থেকে লাশ বেরিয়ে আসার ঘটনা প্রমাণ করে যে, বর্তমানে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জন্য জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে এবং সেখানে পরিকল্পিত হত্যার ছক কষা
হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ঘোরতর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।



