ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
ঢাকায় ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান: সেনাবাহিনীতে ‘ইসলামীকরণ’ ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা ও বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্প আজ ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে। টানা পাঁচ মাস ধরে রপ্তানি আয়ের নিম্নমুখী প্রবণতা এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বাজারগুলো হাতছাড়া হওয়া—এই শিল্পকে এক গভীর খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বিপর্যয় নিছক কোনো অর্থনৈতিক দুর্ঘটনা নয়; বরং ২০২৪ সালের ‘জুলাই ষড়যন্ত্র’-এর মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত এবং পরবর্তীতে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতারই অনিবার্য ফল।
রপ্তানি বাণিজ্যে ধস: পরিসংখ্যানের ভয়াবহ চিত্র
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্যে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। বাংলাদেশের পোশাকের প্রধান গন্তব্য জার্মানি ও ফ্রান্সে রপ্তানি কমেছে ১০ শতাংশেরও বেশি। তবে পূর্ব ইউরোপের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ক্রোয়েশিয়ায় রপ্তানি
কমেছে ৭৭ শতাংশ, রোমানিয়ায় ৩৫ শতাংশ এবং স্লোভাকিয়ায় প্রায় ২৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ মোট ২৬টি দেশে বাংলাদেশের গার্মেন্টস রপ্তানি তার স্বাভাবিক গতি হারিয়েছে। এমনকি রাশিয়া, তুরস্ক, মেক্সিকো, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলো থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ক্রেতারা। প্রতিটি শতাংশ পতন মানেই কারখানার চাকা বন্ধ হওয়া এবং হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান হারানো। জুলাই ষড়যন্ত্র ও আস্থার সংকট বিশ্লেষকরা বলছেন, ভিয়েতনাম, ভারত, চীন বা কম্বোডিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর রপ্তানিতে যখন ঊর্ধ্বগতি, তখন বাংলাদেশের এই পতন প্রমাণ করে সমস্যাটি বৈশ্বিক নয়, বরং অভ্যন্তরীণ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাস্তায় সহিংসতা, কারখানায় অগ্নিসংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতার যেসব ছবি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে,
তা বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্রেতারা স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিকতাকে প্রাধান্য দেন। কিন্তু বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর যে ‘জুলাই ষড়যন্ত্র’ বাস্তবায়িত হয়েছে, তা দেশটিকে একটি অবিশ্বাস্য ও ঝুঁকিপূর্ণ সোর্সিং গন্তব্যে পরিণত করেছে। ক্রেতারা এখন আর নিশ্চিত হতে পারছেন না যে, পরদিন কারখানা খোলা থাকবে কি না বা পণ্য সময়মতো শিপমেন্ট হবে কি না। অন্তর্বর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গার্মেন্টস শিল্পের সংকট মোকাবিলায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্যাস ও বিদ্যুত সংকট, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা এবং ডলারের তীব্র ঘাটতি সমাধানে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নেই। মালিক ও রপ্তানিকারকরা বলছেন, অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে সরকার রাজনৈতিক প্রতিশোধ পরায়ণতা এবং ভিন্নমত দমনেই বেশি ব্যস্ত। ড. ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনায় দক্ষ হলেও, একটি দেশের বৃহৎ রপ্তানিমুখী শিল্প অর্থনীতি সামলানোর মতো দূরদর্শিতা বা দক্ষতা দেখাতে পারেননি। সরকারের নীতিগত অস্পষ্টতা এবং প্রতিষ্ঠানগত বৈধতার সংকট ক্রেতাদের আরও দূরে ঠেলে দিচ্ছে। শ্রমিকদের ওপর মানবিক বিপর্যয় এই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জুয়াখেলার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ শ্রমিকরা। অর্ডারের অভাবে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লাখ লাখ শ্রমিক এখন চাকরি হারানোর আতঙ্কে। গার্মেন্টস আয়ের ওপর নির্ভরশীল অগণিত পরিবার আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে, অথচ অন্তর্বর্তী সরকার তাদের এই কষ্টের প্রতি উদাস
কমেছে ৭৭ শতাংশ, রোমানিয়ায় ৩৫ শতাংশ এবং স্লোভাকিয়ায় প্রায় ২৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ মোট ২৬টি দেশে বাংলাদেশের গার্মেন্টস রপ্তানি তার স্বাভাবিক গতি হারিয়েছে। এমনকি রাশিয়া, তুরস্ক, মেক্সিকো, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলো থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ক্রেতারা। প্রতিটি শতাংশ পতন মানেই কারখানার চাকা বন্ধ হওয়া এবং হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান হারানো। জুলাই ষড়যন্ত্র ও আস্থার সংকট বিশ্লেষকরা বলছেন, ভিয়েতনাম, ভারত, চীন বা কম্বোডিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর রপ্তানিতে যখন ঊর্ধ্বগতি, তখন বাংলাদেশের এই পতন প্রমাণ করে সমস্যাটি বৈশ্বিক নয়, বরং অভ্যন্তরীণ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাস্তায় সহিংসতা, কারখানায় অগ্নিসংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতার যেসব ছবি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে,
তা বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্রেতারা স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিকতাকে প্রাধান্য দেন। কিন্তু বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর যে ‘জুলাই ষড়যন্ত্র’ বাস্তবায়িত হয়েছে, তা দেশটিকে একটি অবিশ্বাস্য ও ঝুঁকিপূর্ণ সোর্সিং গন্তব্যে পরিণত করেছে। ক্রেতারা এখন আর নিশ্চিত হতে পারছেন না যে, পরদিন কারখানা খোলা থাকবে কি না বা পণ্য সময়মতো শিপমেন্ট হবে কি না। অন্তর্বর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গার্মেন্টস শিল্পের সংকট মোকাবিলায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্যাস ও বিদ্যুত সংকট, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা এবং ডলারের তীব্র ঘাটতি সমাধানে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নেই। মালিক ও রপ্তানিকারকরা বলছেন, অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে সরকার রাজনৈতিক প্রতিশোধ পরায়ণতা এবং ভিন্নমত দমনেই বেশি ব্যস্ত। ড. ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনায় দক্ষ হলেও, একটি দেশের বৃহৎ রপ্তানিমুখী শিল্প অর্থনীতি সামলানোর মতো দূরদর্শিতা বা দক্ষতা দেখাতে পারেননি। সরকারের নীতিগত অস্পষ্টতা এবং প্রতিষ্ঠানগত বৈধতার সংকট ক্রেতাদের আরও দূরে ঠেলে দিচ্ছে। শ্রমিকদের ওপর মানবিক বিপর্যয় এই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জুয়াখেলার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ শ্রমিকরা। অর্ডারের অভাবে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লাখ লাখ শ্রমিক এখন চাকরি হারানোর আতঙ্কে। গার্মেন্টস আয়ের ওপর নির্ভরশীল অগণিত পরিবার আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে, অথচ অন্তর্বর্তী সরকার তাদের এই কষ্টের প্রতি উদাস



