ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ঢাকা-০৫ আসনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপন বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। ‘অবৈধ সরকারের’ মদদপুষ্ট একদল ‘মব সন্ত্রাসী’র পৈশাচিক হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন।
গতকাল এক বর্বরোচিত ঘটনায় সন্ত্রাসীরা কামরুল হাসান রিপনের ওপর নারকীয় তান্ডব চালায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক এই ছাত্রনেতার ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারীরা। পরিবারের সদস্যদের আকুতি উপেক্ষা করে তাদের সামনেই তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। নির্মম প্রহারে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে পরবর্তীতে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কামরুল হাসান রিপনের অনুসারীরা এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের
অভিযোগ, বর্তমান সরকার পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিরোধীদের দমনে মব সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রিপন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে পরিচিত। তার ওপর এমন হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, “কামরুল হাসান রিপন ভাইয়ের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে এবং হামলাকারী মব সন্ত্রাসীদের বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ চলছে। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপনের ছবি শেয়ার করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনার
পাশাপাশি অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।
অভিযোগ, বর্তমান সরকার পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিরোধীদের দমনে মব সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রিপন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে পরিচিত। তার ওপর এমন হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, “কামরুল হাসান রিপন ভাইয়ের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে এবং হামলাকারী মব সন্ত্রাসীদের বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ চলছে। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপনের ছবি শেয়ার করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনার
পাশাপাশি অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।



