ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
ঢাকায় ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান: সেনাবাহিনীতে ‘ইসলামীকরণ’ ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ঢাকা-০৫ আসনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপন বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। ‘অবৈধ সরকারের’ মদদপুষ্ট একদল ‘মব সন্ত্রাসী’র পৈশাচিক হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন।
গতকাল এক বর্বরোচিত ঘটনায় সন্ত্রাসীরা কামরুল হাসান রিপনের ওপর নারকীয় তান্ডব চালায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক এই ছাত্রনেতার ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারীরা। পরিবারের সদস্যদের আকুতি উপেক্ষা করে তাদের সামনেই তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। নির্মম প্রহারে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে পরবর্তীতে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কামরুল হাসান রিপনের অনুসারীরা এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের
অভিযোগ, বর্তমান সরকার পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিরোধীদের দমনে মব সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রিপন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে পরিচিত। তার ওপর এমন হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, “কামরুল হাসান রিপন ভাইয়ের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে এবং হামলাকারী মব সন্ত্রাসীদের বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ চলছে। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপনের ছবি শেয়ার করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনার
পাশাপাশি অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।
অভিযোগ, বর্তমান সরকার পতনের ভয়ে ভীত হয়ে বিরোধীদের দমনে মব সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রিপন রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে পরিচিত। তার ওপর এমন হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, “কামরুল হাসান রিপন ভাইয়ের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। অবিলম্বে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে এবং হামলাকারী মব সন্ত্রাসীদের বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ চলছে। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিপনের ছবি শেয়ার করে তার দ্রুত সুস্থতা কামনার
পাশাপাশি অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।



