ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?
শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ
অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায়
জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা
বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের আকস্মিক দিল্লি সফর ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নজিরবিহীন এক পদক্ষেপে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
জানা গেছে, কূটনৈতিক প্রটোকল বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে সরাসরি বৈঠকের অনুরোধ জানানোয় গত ২১ জানুয়ারি ভারত সরকার এই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। সারাহ কুক গত ১৯ জানুয়ারি ঢাকা থেকে দিল্লি পৌঁছান এবং আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর তথ্যানুসারে, সারাহ কুক দিল্লির বিভিন্ন "বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের" সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারতের আনুষ্ঠানিক অবস্থান বোঝার চেষ্টা করছিলেন। তবে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়নি। দিল্লিতে অবস্থিত যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে আয়োজিত একটি বিকল্প বৈঠকে কুক দুজন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক, একজন শিক্ষাবিদ এবং একজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে আমন্ত্রিত আরেকজন সাবেক কূটনীতিক বৈঠকে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান। উক্ত বৈঠকে সারাহ কুক বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে "খুবই ভালো" বলে অভিহিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, আসন্ন নির্বাচন "গণতান্ত্রিক" হওয়া উচিত, যদিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখায় তা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না। তবে উপস্থিত সাবেক ভারতীয় কূটনীতিকরা কুকের এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতন ও সহিংসতার "অকাট্য প্রমাণ" তুলে ধরেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মূল্যায়নের
সমালোচনা করেন। দিল্লি আসার ঠিক আগেই ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন সারাহ কুক। তার এই সফর এবং জামায়াত নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ সালে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে মিলে কুক বাংলাদেশে "অবাধ ও সুষ্ঠু" নির্বাচনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের "নমনীয় মনোভাব" রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো এই ঘটনাকে ২০১৪ সালের তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার দিল্লি সফরের সঙ্গে তুলনা করছে। সে সময় মজিনা ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিংয়ের
সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভারতের তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে জানিয়ে দিয়েছিল যে, তিনি শুধুমাত্র যুগ্ম সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিষয়ক) হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্য—কেউই বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো বার্তা দিচ্ছে না, যা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপিকে চাপে রেখে এবং জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য গোষ্ঠীকে ছাড় দিয়ে নিজেদের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়নি। দিল্লিতে অবস্থিত যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে আয়োজিত একটি বিকল্প বৈঠকে কুক দুজন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক, একজন শিক্ষাবিদ এবং একজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে আমন্ত্রিত আরেকজন সাবেক কূটনীতিক বৈঠকে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান। উক্ত বৈঠকে সারাহ কুক বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে "খুবই ভালো" বলে অভিহিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, আসন্ন নির্বাচন "গণতান্ত্রিক" হওয়া উচিত, যদিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখায় তা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না। তবে উপস্থিত সাবেক ভারতীয় কূটনীতিকরা কুকের এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতন ও সহিংসতার "অকাট্য প্রমাণ" তুলে ধরেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মূল্যায়নের
সমালোচনা করেন। দিল্লি আসার ঠিক আগেই ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন সারাহ কুক। তার এই সফর এবং জামায়াত নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ সালে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে মিলে কুক বাংলাদেশে "অবাধ ও সুষ্ঠু" নির্বাচনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের "নমনীয় মনোভাব" রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো এই ঘটনাকে ২০১৪ সালের তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার দিল্লি সফরের সঙ্গে তুলনা করছে। সে সময় মজিনা ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিংয়ের
সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভারতের তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে জানিয়ে দিয়েছিল যে, তিনি শুধুমাত্র যুগ্ম সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিষয়ক) হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্য—কেউই বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো বার্তা দিচ্ছে না, যা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপিকে চাপে রেখে এবং জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য গোষ্ঠীকে ছাড় দিয়ে নিজেদের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।



