ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয়
আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয়
গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচী
ছেলে ছাত্রলীগ করায় যারা বৃদ্ধ মানুষের রক্ত ঝরায়, তারা ক্ষমতার নয়, ঘৃণার উত্তরাধিকার
কারাবন্দী নেতাদের পরিবারের পাশে ইফতার সামগ্রী নিয়ে যুবলীগ নেতা জনি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ পার্বতীপুর উপজেলা শাখা, দিনাজপুর এর উদ্যোগে পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে মুক্তি মিলল ছেলের: জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফিরলেন সামি
“জামায়াত কখনই সনাতনীদের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না; কারণ জামায়াত সনাতনীদের ঘৃণা করে” – সনাতনী কন্ঠ
মৌলবাদিরা কখনও ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সাথে সহাবস্থানে থাকতে চায় না। তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ যেসময় ছিলো না, ঠিক সেই সময়গুলোতেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর উগ্র-মৌলবাদি জামায়াতের আক্রমণ দেখা গিয়েছে। এবার তো হামলার স্বীকার সংখ্যালঘুদের উপর জামায়াতি মবের হামলাকে রাজনৈতিক বলে অপব্যাখ্যা দিয়েছে খোদ রাষ্ট্র ক্ষমতার দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং।
শুধু সনাতনী নয়, এদেশের অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু, পাহাড়ী নৃগোষ্ঠী সহ মাজার-পন্থী সুন্নি মতাদর্শের মানুষদের উপর আক্রমণ, মাজার ভাঙচুর, ধর্মীয় উপাশনালয়ে বোমাবাজি সহ পূজা মন্ডপ ভাঙচুরের মত সহিংস ঘটনা জামায়াতি ইউনূস সরকারের মদদে নিয়মিতই ঘটছে বিগত ১৮মাস ধরে। শুধুমাত্র সংখ্যালঘু নির্যাতনেই ক্ষান্ত নয় উগ্রবাদী-মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মুনাফেকে ভরা সংগঠন জামায়াতে
ইসলামীর জঙ্গীরা— এরা ধর্ম অবমাননার নাম করে নৃশংসভাবে অবিরত চালাচ্ছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং ফ্যাসিস্ট ইউনূসের অথর্ব সরকার এসব মব কিলিং এর ব্যাপারে একেবারেই নিরব ভূমিকায় থেকেছে পুরো সময় জুড়ে। জামায়াত চিরায়তভাবেই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এদেশে ৯০ শতাংশ মুসলমান থাকতেও এরা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ধর্ম বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে রাজনীতি করে, জনগণকে বিভ্রান্ত করে এবং ভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষদের ব্যাপারে একটি হিংসাত্মক মনোভাব ছড়ানোর কাজ করে। ফলে জাতি হয়ে যায় বিভাজিত। জামায়াত একাত্তর থেকে আজ পর্যন্ত ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এধরনের জাতীয় বেঈমান-মুনাফেকদের কোন বিশ্বাস নেই। শুধু সনাতনী কেন ইসলাম ধর্মের মানুষেরাও এদেশে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না
যদি মুনাফেকদের সংগঠন জামায়াত কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারে।
ইসলামীর জঙ্গীরা— এরা ধর্ম অবমাননার নাম করে নৃশংসভাবে অবিরত চালাচ্ছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং ফ্যাসিস্ট ইউনূসের অথর্ব সরকার এসব মব কিলিং এর ব্যাপারে একেবারেই নিরব ভূমিকায় থেকেছে পুরো সময় জুড়ে। জামায়াত চিরায়তভাবেই সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এদেশে ৯০ শতাংশ মুসলমান থাকতেও এরা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ধর্ম বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে রাজনীতি করে, জনগণকে বিভ্রান্ত করে এবং ভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষদের ব্যাপারে একটি হিংসাত্মক মনোভাব ছড়ানোর কাজ করে। ফলে জাতি হয়ে যায় বিভাজিত। জামায়াত একাত্তর থেকে আজ পর্যন্ত ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে যাচ্ছে, তাই এধরনের জাতীয় বেঈমান-মুনাফেকদের কোন বিশ্বাস নেই। শুধু সনাতনী কেন ইসলাম ধর্মের মানুষেরাও এদেশে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না
যদি মুনাফেকদের সংগঠন জামায়াত কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারে।



