ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাংবিধানিক সংকট, হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট
ঢাকা প্রতিনিধি : আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তথাকথিত ‘জুলাই চার্টার’ সংক্রান্ত গণভোট আয়োজনকে কেন্দ্র করে গুরুতর সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্ন উত্থাপন করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়ার নেতৃত্বে একদল জ্যেষ্ঠ ও প্রথিতযশা আইনজীবী এই রিটটি দায়ের করেন।
রিটটি দায়ের করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও নাগরিক নাদিম আহমেদের পক্ষে, যা জনস্বার্থে দায়ের করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রিটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংবিধানের সর্বোচ্চতা, নির্বাচনী নিরপেক্ষতা এবং আইনের শাসন সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
রিট আবেদনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয় যে, নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক
দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে এবং ২০২৫ সালের নির্বাচন আচরণবিধি ও ১৯৭২ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্য, সরকারি সুবিধাভোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে থাকা ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে রিটে উল্লেখ করা হয়। রিটে উত্থাপিত অভিযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও উপদেষ্টারা, যাদের আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তারা প্রকাশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এটিকে নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সম্পদ, সরকারি প্ল্যাটফর্ম এবং প্রশাসনিক যন্ত্র ব্যবহার করে গণভোটের ফলাফলে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে। রিটে দাবি করা হয়, একটি সরকারি ওয়েবসাইট
ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে প্রচার চালানো হয়েছে, যা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোটের ধারণার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রামাণ্য তথ্যসহ নির্বাচন কমিশনকে আইনি নোটিশ প্রদান করা হলেও কমিশন কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও রিটে অভিযোগ করা হয়েছে। আইনজীবী দলের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, “এই রিট কোনো রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নির্বাহী হস্তক্ষেপ এবং নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার বিরুদ্ধে একটি সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ। যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের স্বাধীন পছন্দকে প্রভাবিত করে, তখন গণতন্ত্রই ঝুঁকির মুখে পড়ে।” রিট আবেদনে যে প্রতিকারগুলো চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নির্বাচন কমিশনের
নিষ্ক্রিয়তাকে অবৈধ ও আইনগত প্রভাবশূন্য ঘোষণা। বিচারিক পর্যালোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি ও কার্যক্রমের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ। নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং মুক্ত, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য আদেশ। আইনজীবী দল জোর দিয়ে বলেন, এই রিট সম্পূর্ণরূপে জনস্বার্থে দায়ের করা হয়েছে, যাতে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, গণতান্ত্রিক নীতি এবং সারাদেশের ভোটারদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। এই রিট আবেদনের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট ফারজানা রহমান শম্পা, অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস, অ্যাডভোকেট সায়েম মোহাম্মদ মুরাদ, অ্যাডভোকেট মুহতাদি হোসেন, অ্যাডভোকেট
ফয়সাল আহমেদ রনি, অ্যাডভোকেট নাহিদ ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার দাস এবং অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন শিমুল।
দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে এবং ২০২৫ সালের নির্বাচন আচরণবিধি ও ১৯৭২ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্য, সরকারি সুবিধাভোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে থাকা ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে রিটে উল্লেখ করা হয়। রিটে উত্থাপিত অভিযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও উপদেষ্টারা, যাদের আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তারা প্রকাশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এটিকে নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সম্পদ, সরকারি প্ল্যাটফর্ম এবং প্রশাসনিক যন্ত্র ব্যবহার করে গণভোটের ফলাফলে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে। রিটে দাবি করা হয়, একটি সরকারি ওয়েবসাইট
ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ফলাফলের পক্ষে প্রচার চালানো হয়েছে, যা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোটের ধারণার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রামাণ্য তথ্যসহ নির্বাচন কমিশনকে আইনি নোটিশ প্রদান করা হলেও কমিশন কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও রিটে অভিযোগ করা হয়েছে। আইনজীবী দলের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, “এই রিট কোনো রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নির্বাহী হস্তক্ষেপ এবং নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার বিরুদ্ধে একটি সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ। যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের স্বাধীন পছন্দকে প্রভাবিত করে, তখন গণতন্ত্রই ঝুঁকির মুখে পড়ে।” রিট আবেদনে যে প্রতিকারগুলো চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নির্বাচন কমিশনের
নিষ্ক্রিয়তাকে অবৈধ ও আইনগত প্রভাবশূন্য ঘোষণা। বিচারিক পর্যালোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি ও কার্যক্রমের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ। নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং মুক্ত, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য আদেশ। আইনজীবী দল জোর দিয়ে বলেন, এই রিট সম্পূর্ণরূপে জনস্বার্থে দায়ের করা হয়েছে, যাতে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, গণতান্ত্রিক নীতি এবং সারাদেশের ভোটারদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। এই রিট আবেদনের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট ফারজানা রহমান শম্পা, অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস, অ্যাডভোকেট সায়েম মোহাম্মদ মুরাদ, অ্যাডভোকেট মুহতাদি হোসেন, অ্যাডভোকেট
ফয়সাল আহমেদ রনি, অ্যাডভোকেট নাহিদ ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার দাস এবং অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন শিমুল।



