ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রশ্নবিদ্ধ: শেখ হাসিনার আইনজীবীর দাবি এবং ‘জুলাই শহীদ গেজেট’ বিতর্ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনি পরামর্শদাতা স্টিভেন পাওলস জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে চিঠি লিখে বাংলাদেশের ২০২৪ সালের আন্দোলন সংক্রান্ত জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনকে “অত্যন্ত ভুল” বলে দাবি করেছেন।
জাতিসংঘ প্রতিবেদনে পক্ষপাতের অভিযোগ
পাওলস তার চিঠিতে অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের ওএইচসিএইচআর-এর তথ্যানুসন্ধান মিশনটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাবে পরিচালিত হয়েছিল এবং হাসিনার রাজনৈতিক বিরোধীরাই মূলত তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়াটি পরিচালিত করেছে, যা প্রতিবেদনের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
এ প্রসঙ্গে আরও গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ হলো, জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা তথ্য সংগ্রহের সময় কেবলমাত্র জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। অথচ সেনাবাহিনী প্রধানসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সাথে কোনো সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি, যা তদন্তের একপেশে চরিত্রকে স্পষ্ট করে।
পাওলস আরও দাবি করেন,
প্রতিবেদনটির সময়সীমা ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৪-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যার ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর চলমান সহিংসতার বিষয়টি তদন্তের বাইরে থেকে গেছে। ‘জুলাই শহীদ গেজেট’: একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন বিশ্লেষকরা বলছেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে ৮০০, ৮৭২, ১,০০০, ১,৪০০, ১,৫৮১ এবং এমনকি ২,০০০-এরও বেশি সংখ্যা দাবি করা হয়েছে। অবশেষে সরকার ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই শহীদ গেজেট’ প্রকাশ করে, যেখানে প্রথম দফায় ৮৩৪ জনের নাম ছিল। পরবর্তী সংশোধনীতে তালিকা থেকে ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে চূড়ান্ত সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৩৬ জনে। অথচ জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
১,৪০০ জন নিহত হয়েছেন। তদন্তে দেখা গেছে, এই গেজেটের প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পরে এবং অর্ধশতাধিকের মৃত্যু হয়েছে তথাকথিত আন্দোলনকারীদের হাতেই। গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, হৃদরোগে, হিটস্ট্রোকে, কিডনি রোগে এবং সম্পত্তি বিরোধের কারণে নিহতদের নামও। এমনকি যাদের মৃত্যু ঘটেছে আন্দোলনকারীদের লুটপাটের সময় নিজেদের লাগানো আগুনে, তাদের নামও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যঃ জুলাই শহীদ গেজেটঃ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় নোংরা রাজনীতি ও প্রতারণা! পুলিশ সদস্যরাও ‘শহীদ’ তালিকায় সবচেয়ে আপত্তিকর তথ্য হলো, জুলাই আন্দোলনে নিহত পুলিশ সদস্যদের নামও এই শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের হত্যার দায় আওয়ামী লীগ সরকারের উপর চাপিয়ে দেওয়া
হয়েছে। ২০শে জুলাই রায়েরবাগে নৃশংসভাবে হত্যা হওয়া ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসআই মোক্তাদিরের নাম গেজেটের ১৬০ নম্বরে রয়েছে, যাকে আন্দোলনকারীরাই পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিল। বিস্তারিত তথ্যঃ কমপক্ষে ৩ জন পুলিশ সদস্যের নাম আছে এই শহীদ গেজেটে যশোরের হোটেল লুটপাটে নিহতরাও ‘শহীদ’ যশোরে ‘হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনাল’-এ আন্দোলনকারীরা লুটপাট করতে গিয়ে নিজেদের দেওয়া আগুনে যে ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন, তাদের নামও শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এই মৃত্যুর দায়ও আওয়ামী লীগের উপর চাপানো হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যঃ যশোরের জাবির হোটেল লুটতে গিয়ে নিহত ১৯ জনের নাম উঠেছে জুলাই শহীদ’দের তালিকায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের অবস্থান জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, সাবেক সরকার ও
নিরাপত্তা বাহিনী পদ্ধতিগতভাবে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং নিহতদের মধ্যে ১২ থেকে ১৩ শতাংশই ছিল শিশু। তবে শহীদ গেজেটের তথ্যগত অসংগতির কারণে প্রতিবেদনের ভিত্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। গেজেটে নিহতের তারিখ, সময়, ঘটনাস্থল, বয়স বা পেশার কোনো উল্লেখ নেই এবং শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যই নেই। তথ্য যাচাই করা প্রায় অসাধ্য করে তোলা হয়েছে এই গেজেটে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি যদি এই বিতর্কিত ও অসংগত তথ্যের উপর নির্ভর করে তৈরি হয়, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
প্রতিবেদনটির সময়সীমা ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৪-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যার ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর চলমান সহিংসতার বিষয়টি তদন্তের বাইরে থেকে গেছে। ‘জুলাই শহীদ গেজেট’: একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন বিশ্লেষকরা বলছেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে ৮০০, ৮৭২, ১,০০০, ১,৪০০, ১,৫৮১ এবং এমনকি ২,০০০-এরও বেশি সংখ্যা দাবি করা হয়েছে। অবশেষে সরকার ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই শহীদ গেজেট’ প্রকাশ করে, যেখানে প্রথম দফায় ৮৩৪ জনের নাম ছিল। পরবর্তী সংশোধনীতে তালিকা থেকে ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে চূড়ান্ত সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৩৬ জনে। অথচ জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
১,৪০০ জন নিহত হয়েছেন। তদন্তে দেখা গেছে, এই গেজেটের প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পরে এবং অর্ধশতাধিকের মৃত্যু হয়েছে তথাকথিত আন্দোলনকারীদের হাতেই। গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, হৃদরোগে, হিটস্ট্রোকে, কিডনি রোগে এবং সম্পত্তি বিরোধের কারণে নিহতদের নামও। এমনকি যাদের মৃত্যু ঘটেছে আন্দোলনকারীদের লুটপাটের সময় নিজেদের লাগানো আগুনে, তাদের নামও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যঃ জুলাই শহীদ গেজেটঃ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় নোংরা রাজনীতি ও প্রতারণা! পুলিশ সদস্যরাও ‘শহীদ’ তালিকায় সবচেয়ে আপত্তিকর তথ্য হলো, জুলাই আন্দোলনে নিহত পুলিশ সদস্যদের নামও এই শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের হত্যার দায় আওয়ামী লীগ সরকারের উপর চাপিয়ে দেওয়া
হয়েছে। ২০শে জুলাই রায়েরবাগে নৃশংসভাবে হত্যা হওয়া ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসআই মোক্তাদিরের নাম গেজেটের ১৬০ নম্বরে রয়েছে, যাকে আন্দোলনকারীরাই পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিল। বিস্তারিত তথ্যঃ কমপক্ষে ৩ জন পুলিশ সদস্যের নাম আছে এই শহীদ গেজেটে যশোরের হোটেল লুটপাটে নিহতরাও ‘শহীদ’ যশোরে ‘হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনাল’-এ আন্দোলনকারীরা লুটপাট করতে গিয়ে নিজেদের দেওয়া আগুনে যে ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন, তাদের নামও শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এই মৃত্যুর দায়ও আওয়ামী লীগের উপর চাপানো হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যঃ যশোরের জাবির হোটেল লুটতে গিয়ে নিহত ১৯ জনের নাম উঠেছে জুলাই শহীদ’দের তালিকায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের অবস্থান জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, সাবেক সরকার ও
নিরাপত্তা বাহিনী পদ্ধতিগতভাবে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং নিহতদের মধ্যে ১২ থেকে ১৩ শতাংশই ছিল শিশু। তবে শহীদ গেজেটের তথ্যগত অসংগতির কারণে প্রতিবেদনের ভিত্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। গেজেটে নিহতের তারিখ, সময়, ঘটনাস্থল, বয়স বা পেশার কোনো উল্লেখ নেই এবং শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যই নেই। তথ্য যাচাই করা প্রায় অসাধ্য করে তোলা হয়েছে এই গেজেটে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি যদি এই বিতর্কিত ও অসংগত তথ্যের উপর নির্ভর করে তৈরি হয়, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।



