ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৫ বছর বয়সে বিয়ে, প্রশংসায় ভাসছেন সেই লুবাবা
মুক্তির ১১তম দিনেই বাহুবলী ২-এর রেকর্ড ভেঙে দিলেন রণবীর সিং
পানিতে ডুবে মারা গেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল
‘ধুরন্ধর’ সিনেমার অডিশনের অজানা গল্প জানালেন সারা অর্জুন
অটোয় চড়ে স্কুলে যেতাম, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছি: বরুণ ধাওয়ান
দেশের পর এবার অস্ট্রেলিয়ায় ‘দম’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’
কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসব শুরু আগামীকাল
জর্জিয়ার সুন্দরী জিতলেন মিসেস আমেরিকার মুকুট
যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ঐতিহাসিক ওয়েস্টগেট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিবাহিত নারীদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘মিসেস আমেরিকা ২০২৫’। এবারের আসরে সেরা হয়েছেন জর্জিয়ার প্রতিযোগী পেইজ ইউইং। গতবারের মিসেস আমেরিকা হান্নাহ ওয়াইজ তার মাথায় বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেন।
২৫ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা হয়— ‘মিস ফর আমেরিকা স্ট্রং’, ‘মিসেস আমেরিকান’ এবং ‘মিসেস আমেরিকা’। মিস ফর আমেরিকা স্ট্রং বিভাগে জয়ী হয়েছেন টেক্সাসের লায়েশা ব্রিউয়ার। তিনি অবিবাহিত নারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন।
অন্যদিকে মিসেস আমেরিকান ২০২৫ হয়েছেন ম্যাসাচুসেটসের টিফানি থর্নটন। তাকে মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের বিজয়ী হেইডি স্টিফেন্স।
পেইজ ইউইং ও টিফানি থর্নটন উভয়েই আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘মিসেস ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ প্রতিযোগিতায়
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বিবাহিত নারী হওয়া বাধ্যতামূলক। এমনকি স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকলেও যদি আইনগতভাবে ডিভোর্স না হয়ে থাকে, তাহলেও তারা অংশ নিতে পারেন। তবে বিজয়ী কোনো কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করলে মুকুট ফিরিয়ে দিতে হয়। তখন রানারআপকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ১৯৩৮ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজনের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের গুণী, আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিভাবান বিবাহিত এবং অবিবাহিত নারীদের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা। আয়োজন চলাকালীন প্রতিযোগীরা মহড়া, নৈশভোজ এবং নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বিবাহিত নারী হওয়া বাধ্যতামূলক। এমনকি স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকলেও যদি আইনগতভাবে ডিভোর্স না হয়ে থাকে, তাহলেও তারা অংশ নিতে পারেন। তবে বিজয়ী কোনো কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করলে মুকুট ফিরিয়ে দিতে হয়। তখন রানারআপকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ১৯৩৮ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজনের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের গুণী, আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিভাবান বিবাহিত এবং অবিবাহিত নারীদের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা। আয়োজন চলাকালীন প্রতিযোগীরা মহড়া, নৈশভোজ এবং নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।



