ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘নির্ভয়া’ শুধু একটি ঘটনা ছিল না, এমন প্রতিদিনই ঘটছে: রানী মুখার্জি
‘আমি খুব খুশি অন্যভাবে তোমার সঙ্গে দেখা করেছি’
জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা
জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা
শ্রীলঙ্কার পর এবার ভারতে প্রিন্স ও রাক্ষস
আমার বিয়ে-বিচ্ছেদ নিয়ে ছড়ানো তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা: ডলি সায়ন্তনী
প্রকাশ্যে এলেন আলভী, দায়ী করলেন ইকরার পরিবারকেই
জয়ার কণ্ঠে একাকিত্বের সুর
জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বরাবরই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে থাকেন নীরব। তবে সম্প্রতি এক ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া অন্তরঙ্গ সাক্ষাৎকারে তিনি অনেক অজানা কথা প্রকাশ করেছেন—শৈশব, পরিবার ও বর্তমান সময়ের সম্পর্ক নিয়ে দিয়েছেন খোলামেলা মন্তব্য।
শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে জয়া বলেন, তাঁর জীবনে নানুর অবদান সবচেয়ে বেশি। আবেগময় কণ্ঠে তিনি জানান, “আমার প্রথম কানের দুল এখনও যত্ন করে রেখেছি। নানু ছোটবেলায় যেসব ঝুমকা দিয়েছিল, সেগুলো আজও আমার অমূল্য সম্পদ।” সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন প্রথম শাড়ি কেনার মুহূর্তটিও— “সপ্তম বা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়, নানু টাঙ্গাইল থেকে প্রথম শাড়ি নিয়ে এলেন। তখনই মনে হয়েছিল, আমি বুঝি বড় হয়ে গেছি।”
শুধু নানু নয়, জয়ার
জীবনে তাঁর মা-ও এক অনন্য গুরুত্ব বহন করেন। “আমাদের সংসারে মা-ই সূর্য,” বলেন জয়া। তাঁর ভাষায়, “শুধু সন্তান নয়, পোষ্য থেকে শুরু করে গৃহকর্মীর প্রতিও মায়ের সমান মমতা।” তবু মাকে ভালোবাসার কথা মুখে বলতে পারেন না জয়া। “মাকে কখনও বলিনি, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ কিংবা কখনও ‘সরি’ও বলিনি। বললেই যেন গলায় কাঁটা আটকে যায়। অথচ অন্যদের ‘সরি’ বলতে কোনও সমস্যা হয় না।” সাক্ষাৎকারে বর্তমান সময়ের সম্পর্ক নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। “এখন তো কেউ আর সম্পর্ক করতে চায় না! সবাই ‘সিচুয়েশনশিপ’-এ আছে! কী কী যেন নামে ডাকে—কিন্তু সম্পর্কের আসল স্থায়িত্বটাই হারিয়ে যাচ্ছে,” বলেন জয়া। এই আন্তরিক কথোপকথনের মাধ্যমে যেন
আরও একবার প্রমাণিত হলো—জয়া আহসান শুধু পর্দার গুণী অভিনেত্রী নন, বাস্তব জীবনে তিনি একজন সংবেদনশীল, ভাবুক ও গভীর অনুভূতির মানুষ।
জীবনে তাঁর মা-ও এক অনন্য গুরুত্ব বহন করেন। “আমাদের সংসারে মা-ই সূর্য,” বলেন জয়া। তাঁর ভাষায়, “শুধু সন্তান নয়, পোষ্য থেকে শুরু করে গৃহকর্মীর প্রতিও মায়ের সমান মমতা।” তবু মাকে ভালোবাসার কথা মুখে বলতে পারেন না জয়া। “মাকে কখনও বলিনি, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ কিংবা কখনও ‘সরি’ও বলিনি। বললেই যেন গলায় কাঁটা আটকে যায়। অথচ অন্যদের ‘সরি’ বলতে কোনও সমস্যা হয় না।” সাক্ষাৎকারে বর্তমান সময়ের সম্পর্ক নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। “এখন তো কেউ আর সম্পর্ক করতে চায় না! সবাই ‘সিচুয়েশনশিপ’-এ আছে! কী কী যেন নামে ডাকে—কিন্তু সম্পর্কের আসল স্থায়িত্বটাই হারিয়ে যাচ্ছে,” বলেন জয়া। এই আন্তরিক কথোপকথনের মাধ্যমে যেন
আরও একবার প্রমাণিত হলো—জয়া আহসান শুধু পর্দার গুণী অভিনেত্রী নন, বাস্তব জীবনে তিনি একজন সংবেদনশীল, ভাবুক ও গভীর অনুভূতির মানুষ।



