জঙ্গি কানেকশন ও ভিসাকেন্দ্র বন্ধ: হারুন ইজহারের পুনরুত্থানে বড় বিপদের সংকেত দেখছে ভারত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ২:১০ অপরাহ্ণ

জঙ্গি কানেকশন ও ভিসাকেন্দ্র বন্ধ: হারুন ইজহারের পুনরুত্থানে বড় বিপদের সংকেত দেখছে ভারত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ২:১০ 37 ভিউ
চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নজিরবিহীন হামলার রেশ না কাটতেই গভীর রাতে থানায় হানা দিয়ে আটক আসামিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন কুখ্যাত জঙ্গি নেতা মুফতি হারুন ইজহার। একসময়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি হারুন ইজহারের এই দাপট ও পুলিশের অসহায় আত্মসমর্পণ জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দিয়েছে। গত ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানায় সদলবলে প্রবেশ করেন হেফাজত-ই- ইসলামের কট্টরপন্থী নেতা হারুন ইজহার। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই তার অনুসারীরা চট্টগ্রামে ভারতীয় মিশনে হামলা চালিয়েছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হারুন ইজহার পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়ে ভারতীয় মিশনে

হামলার অভিযোগে আটক ১২ আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। বিস্ময়করভাবে, পুলিশের ওপর তার এই চাপের মুখে গত ২১ ডিসেম্বর ওই ১২ জন হামলাকারীকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। একজন তালিকাভুক্ত জঙ্গির হুকুমে স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা প্রশাসনের মেরুদণ্ডহীনতাকেই প্রকট করে তুলেছে। হারুন ইজহারের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধীর দাপট শুধু রাজপথেই সীমাবদ্ধ নয়, খোদ সরকারের উচ্চপর্যায়েও তার অবাধ বিচরণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রমতে, চলতি বছরের এপ্রিলে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেতরে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন হারুন ইজহার। কাশ্মীরে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন ওয়ান্টেড জঙ্গির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এই

বৈঠককে ‘চরম রেড ফ্ল্যাগ’ বা নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন সামরিক গোয়েন্দারা। বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় জঙ্গিবাদীরা পুনর্বাসিত হচ্ছে? সহিংসতার পুরনো খলনায়ক হারুন ইজহারের অতীত ইতিহাস রক্তক্ষয়ী সন্ত্রাসের সাক্ষ্য দেয়। ২০০৯ সালে মুম্বাই হামলার পরিকল্পনাকারী ডেভিড হেডলির সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে এফবিআই। ২০১৩ সালে লালখান বাজারে তার মাদরাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করে তিনি কতটা বিপজ্জনক। পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং বাংলাদেশে ভারতীয় ও মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ থাকার পরও তার জামিন পাওয়া এবং প্রকাশ্যে এমন আস্ফালন বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই নির্দেশ করে। চট্টগ্রামে ভারতীয়

ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কূটনীতিক পাড়ায় হামলার ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। পুলিশ বলছে হারুন ইজহার নজরদারিতে আছেন, অথচ তিনি প্রকাশ্যে থানায় গিয়ে আসামি ছাড়িয়ে আনছেন এবং ভারতবিরোধী জিহাদের ডাক দিচ্ছেন। জামিনে মুক্ত একজন দুর্ধর্ষ জঙ্গির এমন লাগামহীন কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনের নীরব দর্শকের ভূমিকা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?