ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
জঙ্গিদের নতুন বৈশ্বিক হাব বাংলাদেশ: রাষ্ট্রীয় ও সামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় চরম ঝুঁকির মুখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা!
বাংলাদেশ কি তবে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ‘জঙ্গি রপ্তানি কেন্দ্রে’ পরিণত হতে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য এবং বিশ্লেষকদের দাবি অনুযায়ী, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় দেশ এখন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের অভয়ারণ্যে রূপান্তরিত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ এখন দেশের অভ্যন্তরীণ জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের মাটি এখন পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তুরস্ক এবং মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীদের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। এমনকি ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘উলফা’ (ULFA) পুনরায় বাংলাদেশে তাদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দেশের বেকার যুবসমাজকে
টার্গেট করে দেওয়া হচ্ছে উচ্চতর জঙ্গি প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষিত এই যুবকদের বিভিন্ন দেশে ‘জিহাদি’ হিসেবে রপ্তানি করার একটি সুপরিকল্পিত ছক বাস্তবায়িত হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জঙ্গি উত্থানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভারতকে অস্থিতিশীল করা। পাকিস্তান, চীন এবং তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ অক্ষ এই প্রক্রিয়ায় আর্থিক ও কৌশলগত মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, এই নবগঠিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকরা। এটি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিপর্যয় নয়, বরং বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি অপপ্রয়াস। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার এবং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ স্তরের এই বিতর্কিত ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের
জীবন ও জীবিকা এখন চরম হুমকির মুখে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে এবং ধর্মীয় নৈতিকতার দোহাই দিয়ে উগ্রবাদকে উসকে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে যদি অবিলম্বে এই ‘জঙ্গি প্রজেক্ট’ বন্ধ করা না হয়, তবে বাংলাদেশ খুব দ্রুতই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের এই পরিবর্তন কেবল স্থানীয় সমস্যা নয়, এটি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোকে তছনছ করে দিতে পারে। ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ যদি জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক হাবে পরিণত হয়, তবে তার প্রভাব সরাসরি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে এবং সামগ্রিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পড়বে। এখন সময় এসেছে দেশের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের জেগে ওঠার। অন্যথায়, জঙ্গিবাদ
ও রাষ্ট্রীয় অবহেলার এই বিষচক্র থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি ‘নিষিদ্ধ রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।
টার্গেট করে দেওয়া হচ্ছে উচ্চতর জঙ্গি প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষিত এই যুবকদের বিভিন্ন দেশে ‘জিহাদি’ হিসেবে রপ্তানি করার একটি সুপরিকল্পিত ছক বাস্তবায়িত হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জঙ্গি উত্থানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ভারতকে অস্থিতিশীল করা। পাকিস্তান, চীন এবং তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ অক্ষ এই প্রক্রিয়ায় আর্থিক ও কৌশলগত মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, এই নবগঠিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকরা। এটি কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিপর্যয় নয়, বরং বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি অপপ্রয়াস। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার এবং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ স্তরের এই বিতর্কিত ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের
জীবন ও জীবিকা এখন চরম হুমকির মুখে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে এবং ধর্মীয় নৈতিকতার দোহাই দিয়ে উগ্রবাদকে উসকে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে যদি অবিলম্বে এই ‘জঙ্গি প্রজেক্ট’ বন্ধ করা না হয়, তবে বাংলাদেশ খুব দ্রুতই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের এই পরিবর্তন কেবল স্থানীয় সমস্যা নয়, এটি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোকে তছনছ করে দিতে পারে। ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ যদি জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক হাবে পরিণত হয়, তবে তার প্রভাব সরাসরি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে এবং সামগ্রিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পড়বে। এখন সময় এসেছে দেশের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের জেগে ওঠার। অন্যথায়, জঙ্গিবাদ
ও রাষ্ট্রীয় অবহেলার এই বিষচক্র থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি ‘নিষিদ্ধ রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।



