ছেলের স্মৃতি আমাকে প্রতিদিন কাঁদায়: আবরারের মা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ অক্টোবর, ২০২৪

ছেলের স্মৃতি আমাকে প্রতিদিন কাঁদায়: আবরারের মা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ অক্টোবর, ২০২৪ |
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে খুন হন। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বুয়েটের শেরে বাংলা হলে তাকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সোমবার আবরার ফাহাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। পাঁচ বছর ধরে আবরারের বিভিন্ন স্মৃতি আঁকড়ে রেখেছে পরিবার। মামলার রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, আমার ছেলে বুয়েটে পড়াশোনা করতে গিয়েছিল। সেখানে আমার ছেলেকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। আমার ছেলে যখন কাঁদছিল, তখন খুনিদের একটুও কষ্ট হয়নি। তারা নির্মম নৃশংসভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। সেই মামলায় সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি আশা করেছিলাম। কিন্তু আদালত সবাইকে

ফাঁসি দেননি। আইনের ওপর শ্রদ্ধা রেখে রায়ে আমরা সন্তোষ। তবে দ্রুত তাদের রায় কার্যকর করা হোক। সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি পলাতক রয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি। সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছিল অতীত সরকারের আমলে। সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলেছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সেগুলোর বিরুদ্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার ছেলেকে এভাবে চলে যেতে হতো না। আমার ছেলে আবরারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আবরারকে খুব কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ছেলের স্মৃতি আমাকে প্রতিদিন কাঁদায়। সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গনের দাবি জানাচ্ছি। রোকেয়া খাতুন বলেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে

সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদ রাখতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হবে। আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে আমার ছেলের মতো আর কেউ খুন না হোক। আমি চাই না আমার মতো আর কোনো মায়ের বুক খালি হোক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদে লেখাপড়া করে সবাই মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। সেই পরিবেশ তৈরি করা হোক দেশের সকল শিক্ষাঙ্গনে। আবরার ফাহাদের মা বলেন, পাঁচ বছর আগে এই দিনে ছেলেকে সকালে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়েছিলাম। বিকালে বুয়েটে পৌঁছায়। এরপর তাকে ছাত্রলীগের ছেলেরা ডেকে রাতভর নির্যাতন করে হত্যা করেছিল। তারা ছাত্রলীগ করলেও তারই কয়েকজন বন্ধু ছিল। তারাও একটি বারের জন্যও ফোনে জানায়নি ছেলে নিহত হওয়ার বিষয়ে। আবরার

ফাহাদ ১৩ মে ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমে কুষ্টিয়া মিশন স্কুল ও পরে জিলা স্কুলে লেখাপড়া শেষ করে ২০১৮ সালে ৩১ মার্চ তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হন। আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অসম চুক্তি এবং পানি আগ্রাসন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের জেরে আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নৃশংস কায়দায় পিটিয়ে হত্যা করে সংগঠনটির ক্যাডাররা। পরে রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
একই পরিবারের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে সিআইডির মানিলন্ডারিং মামলা মোদির উদ্বোধনের আগেই আগুনে পুড়ল ভারতের তেল শোধনাগার ‘সুরভি স্কুলে’ মার্কিন বিশেষ দূত, শিশু কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস ‘অর্থকষ্টে’ সরকার! নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে? কোরআন আত্ম-পরিচয়ের আয়না বিশ্ববাজারে কমে গেল স্বর্ণের দাম একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা সকাল ৮টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি