ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
প্রথমবার অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
আন্দোলনের মুখে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ডিনের
ছাত্রদলের উত্তেজিত নেতাকর্মীদের সামনে ঢাবি ভিসি, ‘মার বেটা আমাকে, মার’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার জন্য প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে গতকাল মধ্য রাতে বিক্ষোভ করেন ছাত্রদল কর্মীরা। এ সময় তারা উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে তাদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।
বিক্ষুব্ধ কর্মীদের সামনে এসে কথা বলার সময় উত্তেজনা তৈরি হলে ঢাবি উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ তাদের উদ্দেশে বলেন, “তোমরা যদি মনে করো, তুমি আর আমি আলাদা পক্ষ, আমি এখানে দাঁড়ায়ে আছি; আমাকে মার বেটা, মার।”
এরপর তিনি বলেন, “চিৎকার কইরো না।” তখন কেউ একজন বলেন, “সিনেমা কইরেন না, স্যার, সিনেমা কইরেন না।”
উপাচার্যের এমন কথা শুনে মুহূর্তকালের জন্য হট্টগোলে কিছুটা স্তবদ্ধতা তৈরি হয়, যা পরক্ষণেই কেটে যায়। আবার হইহট্টগোল
শুরু হয়। ঢাবি শিক্ষার্থী স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্যকে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। তার মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ করেন। রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। সেখানে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ এসে কথা বলার সময় মেজাজ হারান তিনি। বিক্ষোভকারীদের সামনের সারিতে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনকে দেখা যায়। এ ছাড়া ঢাবি শাখা ও
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বিক্ষোভে দেখা যায়। উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের সময় উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান করে দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির তার বক্তব্যে দুজনের পদত্যাগ দাবি করেন। উপাচার্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সময় বিক্ষোভকারীদের বলতে শোনা যায়, “বাংলা একাডেমির সামনে সাম্যকে হত্যার পর খুনিরা কীভাবে পালিয়ে গেল? আপনার প্রক্টরিয়াল টিম তো দোয়েল চত্বরে আছে। তাহলে তারা কেন খুনিদের ধরতে পারেন না?” এ সময় ছাত্রদলের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৎক্ষণাৎ উপাচার্যকে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার কথা বলেন। এ সময় একজন বিক্ষোভকারীকে বলতে শোনা যায়, “স্যার, আপনি তো আমাদেরই লোক।” তখন উপাচার্য নিয়াজ
বলেন, “তোমাদের পদক্ষেপগুলো বলো।” পাশ থেকে একজন শিক্ষার্থী বলে ওঠেন, “আপনি পদত্যাগ করেন।” উপাচার্যকে “আপনি আমাদেরই লোক বলা” শিক্ষার্থী তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন, “আপনারা যদি আমাদেরই লোক হন; তাহলে সাম্যর ঘটনার সময় আমি প্রক্টরকে ফোন দিছি; তিনি ফোন ধরেন নাই- কেন?” উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চবাচ্যের মধ্যে একজন স্লোগান দিয়ে ওঠেন, “ব্যর্থ ভিসির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।” এরপর শিক্ষার্থীদের কথামতো তাদের সঙ্গে উদ্যানের দিকে যান উপাচার্য। তখনো হইহট্টগোল চলছিলই। উপাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যানের দিকে যেতে যেতে বিক্ষোভাকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘ব্যর্থ ভিসির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’, ‘সাম্য ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’।
শুরু হয়। ঢাবি শিক্ষার্থী স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্যকে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। তার মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ করেন। রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। সেখানে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ এসে কথা বলার সময় মেজাজ হারান তিনি। বিক্ষোভকারীদের সামনের সারিতে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনকে দেখা যায়। এ ছাড়া ঢাবি শাখা ও
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বিক্ষোভে দেখা যায়। উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের সময় উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান করে দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির তার বক্তব্যে দুজনের পদত্যাগ দাবি করেন। উপাচার্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সময় বিক্ষোভকারীদের বলতে শোনা যায়, “বাংলা একাডেমির সামনে সাম্যকে হত্যার পর খুনিরা কীভাবে পালিয়ে গেল? আপনার প্রক্টরিয়াল টিম তো দোয়েল চত্বরে আছে। তাহলে তারা কেন খুনিদের ধরতে পারেন না?” এ সময় ছাত্রদলের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৎক্ষণাৎ উপাচার্যকে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার কথা বলেন। এ সময় একজন বিক্ষোভকারীকে বলতে শোনা যায়, “স্যার, আপনি তো আমাদেরই লোক।” তখন উপাচার্য নিয়াজ
বলেন, “তোমাদের পদক্ষেপগুলো বলো।” পাশ থেকে একজন শিক্ষার্থী বলে ওঠেন, “আপনি পদত্যাগ করেন।” উপাচার্যকে “আপনি আমাদেরই লোক বলা” শিক্ষার্থী তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন, “আপনারা যদি আমাদেরই লোক হন; তাহলে সাম্যর ঘটনার সময় আমি প্রক্টরকে ফোন দিছি; তিনি ফোন ধরেন নাই- কেন?” উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চবাচ্যের মধ্যে একজন স্লোগান দিয়ে ওঠেন, “ব্যর্থ ভিসির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।” এরপর শিক্ষার্থীদের কথামতো তাদের সঙ্গে উদ্যানের দিকে যান উপাচার্য। তখনো হইহট্টগোল চলছিলই। উপাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যানের দিকে যেতে যেতে বিক্ষোভাকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘ব্যর্থ ভিসির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’, ‘সাম্য ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’।



