ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রিজন ভ্যান থেকে সাবেক এমপি তুহিনের আকুতি: ‘অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, ন্যায়বিচার চাই’
বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ইফতার বিতরণ: শেখ হাসিনার দ্রুত প্রত্যাবর্তনে দোয়া কামনা
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির অদম্য প্রতিরোধের মুখে ঢাকায় এসেছিলেন ইয়াহিয়া
সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই যখন নিরাপদ না, তখন সাধারণ মানুষের কথা কে ভাববে?
জ্বালানি সংকটে ভরসা রূপপুর: শেখ হাসিনার মেগা প্রজেক্টেই স্বস্তিতে দেশ
শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ: শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ
চাকরি বাঁচাতে নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: তোপ দাগলেন ড. মোমেন
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানকে সম্পূর্ণ ‘উপেক্ষা’ করায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষাবিদ ড. এ কে আব্দুল মোমেন। রাষ্ট্রপতিকে ‘নৈতিক ও মানসিকভাবে দুর্বল’, ‘খয়েরখাঁ’ এবং ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রপতি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, স্রেফ নিজের পদ ও চাকরি বাঁচাতেই তিনি নীতি ও আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়েছেন।
সম্প্রতি সাংবাদিক তৌফিক মারুফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. মোমেন রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও নারী দিবসের বক্তব্য নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়, নারী দিবসের বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তার অতীতের রাজনৈতিক আদর্শ পুরোপুরি ভুলে গেছেন। যে বঙ্গবন্ধুকে
তিনি একসময় স্তুতি করতেন, নারী দিবসের বা স্বাধীনতার মাসের বক্তব্যে তিনি সেই বঙ্গবন্ধু বা নারী জাগরণে শেখ হাসিনার অনন্য অবদানের কথা একবারও উচ্চারণ করেননি। উল্টো তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ এবং খালেদা জিয়াকে বিএনপির অনুকরণে ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। বিষয়টিকে রাষ্ট্রপতির চরম 'ডিগবাজি' হিসেবে দেখছেন আলোচকরা। ড. মোমেন রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, "রাষ্ট্রপতি মানসিকভাবে এত দুর্বল, এথিক্যালি (নৈতিকভাবে) এবং মোরালি দুর্বল। তিনি সরকারের লিখে দেওয়া বক্তব্য তোতাপাখির মতো পড়েন।" তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাষ্ট্রপতি যেভাবে খয়েরখাঁগিরি করেছেন, অতটুকু না করলেও হতো। ‘বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক’ বললে তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতো না। সম্মানের সাথে মরা আর অসম্মানের
সাথে মরার মধ্যে পার্থক্য আছে।" সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আক্ষেপ করে প্রশ্ন তোলেন, "বাঙালি জাতি কি এত নিমকহারাম যে সত্য কথা বলতে এত দ্বিধাদ্বন্দ্ব? এত বড় পজিশনে থেকে পুরো ইতিহাসটা ইগনোর করা এবং একপেশে বক্তৃতা দেওয়া চরম হতাশাজনক। যাদের এত বড় পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা মোরালি এত দুর্বল এবং তাদের সৎ সাহস এত কম—এটা দেখে আমার দুঃখ হয়।" ড. মোমেন বলেন, "রাষ্ট্রপতির চাকরির মোহ এত বেশি যে, এর ফলে তিনি তার নীতি, আদর্শ সবই জলাঞ্জলি দিতে পারেন। এই ধরনের চরিত্র আমাদের দেশের জন্য লজ্জার বিষয়।" তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে তুলনা করে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ড. মোমেন অভিযোগ
করেন, বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি একের পর এক ‘বেআইনি অধ্যাদেশে’ (Illegal Ordinance) সই করেছেন, যা তার নৈতিক স্খলনেরই প্রমাণ। সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক তৌফিক মারুফ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নারী দিবসের এই বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি কি তবে পুরোপুরি বিএনপির দলীয় বৃত্তে ঢুকে গেছেন? বিএনপি ভবিষ্যতে যেসব অধ্যাদেশ চাইবে, তিনি কি অন্ধের মতো তা অনুমোদন করবেন? এর জবাবে ড. মোমেন একমত পোষণ করে জানান, কেবল নিজের পদ ধরে রাখতেই রাষ্ট্রপতি এসব করছেন। তার প্রতি একসময় যে শ্রদ্ধাবোধ ছিল, তা এখন পুরোপুরি উবে গেছে এবং দেশবাসীর কাছে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন।
তিনি একসময় স্তুতি করতেন, নারী দিবসের বা স্বাধীনতার মাসের বক্তব্যে তিনি সেই বঙ্গবন্ধু বা নারী জাগরণে শেখ হাসিনার অনন্য অবদানের কথা একবারও উচ্চারণ করেননি। উল্টো তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ এবং খালেদা জিয়াকে বিএনপির অনুকরণে ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন। বিষয়টিকে রাষ্ট্রপতির চরম 'ডিগবাজি' হিসেবে দেখছেন আলোচকরা। ড. মোমেন রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, "রাষ্ট্রপতি মানসিকভাবে এত দুর্বল, এথিক্যালি (নৈতিকভাবে) এবং মোরালি দুর্বল। তিনি সরকারের লিখে দেওয়া বক্তব্য তোতাপাখির মতো পড়েন।" তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাষ্ট্রপতি যেভাবে খয়েরখাঁগিরি করেছেন, অতটুকু না করলেও হতো। ‘বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক’ বললে তাকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতো না। সম্মানের সাথে মরা আর অসম্মানের
সাথে মরার মধ্যে পার্থক্য আছে।" সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আক্ষেপ করে প্রশ্ন তোলেন, "বাঙালি জাতি কি এত নিমকহারাম যে সত্য কথা বলতে এত দ্বিধাদ্বন্দ্ব? এত বড় পজিশনে থেকে পুরো ইতিহাসটা ইগনোর করা এবং একপেশে বক্তৃতা দেওয়া চরম হতাশাজনক। যাদের এত বড় পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা মোরালি এত দুর্বল এবং তাদের সৎ সাহস এত কম—এটা দেখে আমার দুঃখ হয়।" ড. মোমেন বলেন, "রাষ্ট্রপতির চাকরির মোহ এত বেশি যে, এর ফলে তিনি তার নীতি, আদর্শ সবই জলাঞ্জলি দিতে পারেন। এই ধরনের চরিত্র আমাদের দেশের জন্য লজ্জার বিষয়।" তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে তুলনা করে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ড. মোমেন অভিযোগ
করেন, বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি একের পর এক ‘বেআইনি অধ্যাদেশে’ (Illegal Ordinance) সই করেছেন, যা তার নৈতিক স্খলনেরই প্রমাণ। সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক তৌফিক মারুফ আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নারী দিবসের এই বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি কি তবে পুরোপুরি বিএনপির দলীয় বৃত্তে ঢুকে গেছেন? বিএনপি ভবিষ্যতে যেসব অধ্যাদেশ চাইবে, তিনি কি অন্ধের মতো তা অনুমোদন করবেন? এর জবাবে ড. মোমেন একমত পোষণ করে জানান, কেবল নিজের পদ ধরে রাখতেই রাষ্ট্রপতি এসব করছেন। তার প্রতি একসময় যে শ্রদ্ধাবোধ ছিল, তা এখন পুরোপুরি উবে গেছে এবং দেশবাসীর কাছে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন।



