ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি কলেজে সাম্প্রতিক শিক্ষক নিয়োগকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনে সন্তোষজনক ফলাফল এবং উপাচার্যের ইতিবাচক মূল্যায়ন থাকা সত্ত্বেও একজন উচ্চযোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে নিয়োগ না দেওয়ার অভিযোগে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে। লিখিত পরীক্ষায় চারজন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী ধাপে ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়োগ পরীক্ষার আগেই নির্দিষ্ট একজন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ছিল।
ভুক্তভোগী প্রার্থী জানান, পরীক্ষার সকালে ডিপার্টমেন্টে উপস্থিত হয়ে তিনি শুনতে পান, “এই পরীক্ষায় যিনি বসছেন, তাকেই নেওয়া হবে। বাকিদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্থহীন।” তা
সত্ত্বেও তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন এবং লিখিত, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন সব ধাপেই উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনে মাননীয় উপাচার্য তার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট ছিলেন এবং ইতিবাচক মন্তব্য করেন। এতে তার নিয়োগপ্রাপ্তির বিষয়ে যৌক্তিক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা দেশের শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থায় বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব রসায়নে বিএসসি (অনার্স) ও এমএস সম্পন্ন করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড এবং চুয়েট থেকে মেডিসিনাল কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ইংরেজি ভার্সন কলেজে পাঁচ বছর শিক্ষকতা করেছেন। NTRCA কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত
হয়ে বর্তমানে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে দুই বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক জার্নালে তার দুটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এতসব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে শিক্ষক নিয়োগে কোন মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী প্রার্থীর অভিযোগ, তাকে নিয়োগ না দেওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিল লবিংয়ের অভাব। তিনি বলেন, “যোগ্যতা এখানে কোনো বিষয় ছিল না। যাদের প্রভাব ও সুপারিশ ছিল, তারাই নির্বাচিত হয়েছে।” অভিযোগ আরও গুরুতর হয় যখন জানা যায়, নিয়োগ বোর্ড তার সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি পূর্বনির্ধারিত ছিল কি না, সে প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। শিক্ষা প্রশাসন ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি বা
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, স্বচ্ছতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। লিখিত, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনের ফলাফল উপেক্ষা করে নিয়োগ দেওয়া হলে তা প্রশাসনিক অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। একজন শিক্ষাবিদ বলেন, “যদি নিয়োগ বোর্ড আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখে, তাহলে পরীক্ষা নেওয়াই অর্থহীন। এটি শুধু প্রার্থীদের সঙ্গে নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতারণা।” চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর অধিভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম হলে তার প্রভাব সরাসরি শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভুক্তভোগী প্রার্থী চবি
ল্যাবরেটরি কলেজের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত, নম্বর বণ্টন এবং সুপারিশ প্রক্রিয়া প্রকাশের আহ্বান জানান। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বোর্ডের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সত্ত্বেও তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন এবং লিখিত, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন সব ধাপেই উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনে মাননীয় উপাচার্য তার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট ছিলেন এবং ইতিবাচক মন্তব্য করেন। এতে তার নিয়োগপ্রাপ্তির বিষয়ে যৌক্তিক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা দেশের শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থায় বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব রসায়নে বিএসসি (অনার্স) ও এমএস সম্পন্ন করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড এবং চুয়েট থেকে মেডিসিনাল কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ইংরেজি ভার্সন কলেজে পাঁচ বছর শিক্ষকতা করেছেন। NTRCA কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত
হয়ে বর্তমানে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে দুই বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক জার্নালে তার দুটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এতসব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে শিক্ষক নিয়োগে কোন মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী প্রার্থীর অভিযোগ, তাকে নিয়োগ না দেওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিল লবিংয়ের অভাব। তিনি বলেন, “যোগ্যতা এখানে কোনো বিষয় ছিল না। যাদের প্রভাব ও সুপারিশ ছিল, তারাই নির্বাচিত হয়েছে।” অভিযোগ আরও গুরুতর হয় যখন জানা যায়, নিয়োগ বোর্ড তার সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি পূর্বনির্ধারিত ছিল কি না, সে প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। শিক্ষা প্রশাসন ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি বা
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা, স্বচ্ছতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। লিখিত, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনের ফলাফল উপেক্ষা করে নিয়োগ দেওয়া হলে তা প্রশাসনিক অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। একজন শিক্ষাবিদ বলেন, “যদি নিয়োগ বোর্ড আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখে, তাহলে পরীক্ষা নেওয়াই অর্থহীন। এটি শুধু প্রার্থীদের সঙ্গে নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতারণা।” চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর অধিভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম হলে তার প্রভাব সরাসরি শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভুক্তভোগী প্রার্থী চবি
ল্যাবরেটরি কলেজের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত, নম্বর বণ্টন এবং সুপারিশ প্রক্রিয়া প্রকাশের আহ্বান জানান। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বোর্ডের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



